বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
লোহাগড়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন গ্রেপ্তার আদালত প্রাঙ্গণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, আইভীর আইনজীবীসহ গ্রেফতার ৩ নরসিংদীতে বৃদ্ধা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, এসআই ইউসুফকে পুরস্কৃত কুষ্টিয়ায় খোকসা থানা পুলিশের অভিযানে ৩ মাদকসেবী গ্রেপ্তার: কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান ড. ইউনূসকে হেনস্তার দায় খলিলুরকে নিতে হবে: নাহিদ খোকসায় বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৭, মাদকসেবীদের কারাদণ্ড নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় ব্যবস্থা নেবে সরকার লোহাগড়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমুলক সভা খোকসায় গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মিন্টু গ্রেফতার গরুর মাংসের দাম ২৫০ টাকা করার দাবি, সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ

প্রেমের টানে, যুক্তরাষ্ট্রের যুবক রাইয়ান এখন গাজীপুরে

দৈনিক,সংগ্রাম প্রতিদিন ডেস্ক ঃ
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ৪ জুন, ২০২২

গাজীপুর প্রেমের কাছে সব কিছুই তুচ্ছ। প্রেম মানে না কোনো বাধা, ভৌগোলিক সীমারেখা, ধর্ম, বর্ণ। তাইতো প্রেমের টানে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে গাজীপুরে এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের যুবক রাইয়ান কফম্যান।

গত ২৯ মে তিনি বাংলাদেশে আসেন। এরপর পরিবারের সম্মতিতে গাজীপুরের মেয়ে সাইদা ইসলামের সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন।

রাইয়ান যুক্তরাষ্ট্রের মিজুরি স্টেটের ক্যানসাস সিটির নাগরিক। তিনি তার এলাকার একটি প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কারখানায় অপারেটর পদে কাজ করেন। লেখাপড়া করেছেন মাধ্যমিক স্কুল পর্যন্ত। তার মা-বাবা ছাড়াও এক বড় ভাই রয়েছেন। তারা সেখানে প্রত্যেকেই আলাদাভাবে বসবাস করেন।

কনে সাইদা ইসলাম (২৬) গাজীপুর মহানগরের বাসন থানার ভোগড়া মধ্যপাড়া এলাকার মোশারফ হোসেন মাস্টারের নাতনি ও মৃত সিকন্দার আলীর মেয়ে।

কনের নানা মোশারফ হোসেন মাস্টার বলেন, আমার জামাইয়ের নাম সিকন্দার আলী। সে ঢাকার দনিয়া এলাকায় বসবাস করত। ২০১৯ সালে সে মারা যায়। জামাইয়ের মৃত্যুর পর আমার মেয়ে দুই নাতনিকে নিয়ে ঢাকা থেকে গাজীপুরে চলে আসে। এখন তারা আমার এখানেই বসবাস করছে। বাবা মারা যাওয়ার এক বছর পর (২০২০ সালে) স্নাতক পাস করে সাইদা।

কনে সাইদা ইসলাম বলেন, ২০২১ সালের এপ্রিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রথম পরিচয় হয় রাইয়ান কফম্যানের সঙ্গে। এ সময় আমরা নিজেদের ফোন নম্বর, ফেসবুক আইডি ও ঠিকানা বিনিময় করি। এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ হতো। ফোন ও ভিডিও কলে কথা বলতে বলতে আমাদের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ট হয় এবং দুজন দুজনকে ভালোবেসে ফেলি। এভাবে প্রায় এক বছর ফেসবুকে প্রেম করি।

তিনি আরও বলেন, এরপর দুজনে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিই। রাইয়ান বিয়ে করার জন্য খ্রিষ্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। পরে তার ও আমার পরিবারের সম্মতিতে এ বছরের ২৯ মে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে আসে। এ দিনই আমাদের প্রথম দেখা হয়।

এয়ারপোর্ট থেকে রাইয়ান আমার সঙ্গে নানা বাড়িতে আসে। পরে সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বিয়ের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। বর্তমানে আমরা নানা-বাড়িতেই আছি।

এদিকে রাইয়ান বলেন, ‘আনুষঙ্গিক কাগজপত্র ও ভিসা প্রসেসিং হতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। এসব সম্পন্ন হলেই সাইদাকে আমেরিকা নিয়ে যাব। সাইদার স্বজন ও বাংলাদেশীরা খুবই অতিথি পরায়ণ। আমেরিকায় অচেনাদের সঙ্গে কেউ খুব একটা কথা বলে না। কিন্তু বাংলাদেশে আসার পর দেখছি আমার প্রতি সবাই খুবই আন্তরিক।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..