বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০১ পূর্বাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে, কিন্তু স্বৈরাচারের ভূত এখনো রয়ে গেছে. বকশিগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত টাঙ্গাইলে “কৃষক কার্ড” বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একই ফিলিং স্টেশনে বারবার তেল নিতে গিয়ে ৩ আরোহী জরিমানা ৪৮ হাজার লিটার ফার্নেস অয়েল জব্দ, উদ্ধার ১২ একর সরকারি জমি ১৬ বছরেও প্লট বুঝে পাননি গ্রাহকরা, সোনাইমুড়ীতে ক্ষোভ সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ আর নেই লোহাগড়ায় জেলেদের অনুদানের ৬০ গরুর হদিস নেই, তথ্য দিতে অস্বীকৃতি মৎস্য কর্মকর্তার লোহাগড়ায় চাকরির প্রলোভনে গৃহবধূ ধর্ষণ, গ্রাম পুলিশ গ্রেফতার শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য

দীঘিনালায় মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজে অনিয়ম

নুর নবী হোসেন রনি  দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি )প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন, ২০২৩

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কাজের সিডিউলকে তোয়াক্কা না করে নিয়ম বহির্ভূতভাবে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণ কাজ করা হচ্ছে। খোদ উপজেলা পরিষদ চত্বরে এমন অনিয়মের ঘটনা ঘটলেও স্থানীয় প্রশাসনের যেন নেই কোনো দায়। আর এর মাধ্যমে মসজিদ ভবনের স্থায়িত্ব ও মান নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। এছাড়াও কাজ শুরুর পূর্বে বিল উত্তোলনেরও অভিযোগ রয়েছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে।

খাগড়াছড়ি গণপূর্ত অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ‘প্রতিটি জেলা, উপজেলায় একটি করে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন’ প্রকল্পের আওতায় খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় তিনতলা মডেল মসজিদ নির্মাণের জন্য প্রায় ১১ কোটির অধিক টাকা প্রকল্প হাতে নেয়া হয়।
নির্মাণকাজে দ্বায়িত্ব থাকা ম্যানেজার সুজিত নন্দী বলেন, কাজটি এস অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরার থেকে ক্রয় করে গৌরী এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছেন। কয়েকমাস থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি নির্মাণ কাজ শুরু করে। পরিষদ সংলগ্ন দীঘিনালা মডেল মসজিদের নির্মাণাধীন কাজের স্থানে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জং ধরা রডের ব্যবহার ও বেইজের সিসি ঢালাইয়ে সিলেকশন বালুর পরিবর্তে লোকাল বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সহ গণপূর্ত বিভাগের কোন প্রকৌশলীকে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। এ সময় নির্মাণকাজের মিস্ত্রি মনির হোসেন বলেন, “দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী ২ ঘন্টা আগেই চলে গেছে।”
এ বিষয়ে দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী সুমিত মজুমদারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমার অনুপস্থিতিতে নির্মাণকাজ পরিচালনা করার সুযোগ নেই। আমি এখনই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ বন্ধ করতে বলছি। তাছাড়া কাজের শুরুতেই বিল উত্তোলনের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেননা বলে জানান।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..