শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি গোপালগঞ্জসহ ৩ জেলায় বিজিবি মোতায়েন ভাসানীর আদর্শে দল পুনর্গঠনের অঙ্গীকার, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী নড়াইলে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারী শ্রমিকের  খোকসায় ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ লোহাগড়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন গ্রেপ্তার আদালত প্রাঙ্গণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, আইভীর আইনজীবীসহ গ্রেফতার ৩ নরসিংদীতে বৃদ্ধা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, এসআই ইউসুফকে পুরস্কৃত কুষ্টিয়ায় খোকসা থানা পুলিশের অভিযানে ৩ মাদকসেবী গ্রেপ্তার: কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান ড. ইউনূসকে হেনস্তার দায় খলিলুরকে নিতে হবে: নাহিদ

রাঙ্গাবালীতে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল

বিশেষ প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
Oplus_16908288

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের চরহালিম লঞ্চঘাট এলাকায় মাদক সেবন ও ব্যবসাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় কয়েকজনের মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা দেয়।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে স্থানীয় ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল নেতা আকবর ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এছাহাককে একে অপরকে মাদক সেবন করাতে দেখা যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া আরেকটি ফুটেজে স্থানীয়ভাবে ‘গডফাদার’ হিসেবে পরিচিত স্বপন সিকদারকে গাঁজার কলকি তৈরি করে দিতে দেখা যায় তার কথিত ম্যানেজার আনিচ বয়াতিকে।
ভিডিওতে শোনা যায়, স্বপন সিকদার আনিচকে উদ্দেশ করে ‘পাতা দিতে’ বলছেন। পাশ থেকে আরেকজনকে বলতে শোনা যায়, “আনিচ, তোমার মামা তো ডেন্ডিও খায়।” এখানে ‘মামা’ সম্বোধন করা ব্যক্তিটি স্বপন সিকদার এবং ‘ভাগিনা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয় আনিচ বয়াতিকে।
ভিডিওতে থাকা কথোপকথনে আরও দাবি করা হয়, স্বপন সিকদার মাদক ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল অর্থের মালিক হয়েছেন। তার কথিত বক্তব্য অনুযায়ী, বাবার সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ১৩ লাখ টাকা দিয়ে তিনি ব্যবসা শুরু করেন এবং গত মৌসুমে অন্তত ১৫–২০ লাখ টাকা আয় করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বপন সিকদার, আকবর, এছাহাক ও আনিচ বয়াতিসহ আরও কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে। তবে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় মাদক সংক্রান্ত নানা অভিযোগ শোনা গেলেও দৃশ্যমান প্রমাণের অভাবে কেউ সরাসরি অভিযোগ করতে এগিয়ে আসেননি। ভাইরাল হওয়া ভিডিওর পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
স্থানীয়রা আরও জানান, স্বপন সিকদারকে এলাকায় ধান্দাবাজ ও প্রতারক স্বভাবের ব্যক্তি হিসেবে অনেকে চেনেন। নিজের স্বার্থ রক্ষায় তিনি কখনও আওয়ামী লীগ আবার কখনও বিএনপির পরিচয় ব্যবহার করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বর্তমান সময়ে তরুণ সমাজের একটি অংশ মাদকের ভয়াল গ্রাসে পড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। তাদের মতে, মাদকাসক্তি সমাজ, পরিবার ও জাতির জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। শিক্ষিত-অশিক্ষিত, নিম্নবিত্ত থেকে শুরু করে উচ্চবিত্ত পরিবারের অনেক তরুণও এই সর্বনাশা নেশায় জড়িয়ে পড়ছে।
এ অবস্থায় স্থানীয় জনগণ মাদক সেবন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..