সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
নড়াইলে সিসিআইসির অভিযানে উদ্ধার ৩৬ মোবাইল, মালিকদের কাছে হস্তান্তর সংবাদ সংগ্রহে বাধা, সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নিলেন এডিসি নড়াইলে জানালার গ্রিল কেটে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, ৪০ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ কোটি টাকার মালামাল লুট খোকসায় অনলাইন গেমিংয়ের আড়ালে জুয়ার বিস্তার: নেশার জোয়ারে ভাসছে যুবসমাজ ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কে সিএনজি যেন মরণফাঁদ, সুবর্ণচরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস এইচএসসির ফলাফল: পাসের হারে শীর্ষে ঢাকা, সবার নিচে বরিশাল মাদরাসার রান্নাঘরে  খাবার না পেয়ে বৃদ্ধ বাবুর্চিকে পিটিয়ে হত্যা কুষ্টিয়ায় ভবানীগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্প আকস্মিক পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার মোঃ আমিনুল ইসলাম

সংবাদ সংগ্রহে বাধা, সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নিলেন এডিসি

বিশেষ প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

রাজধানীর মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহের সময় পুলিশের লাঠিচার্জের ভিডিও ধারণ করায় এক সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

রবিবার (১ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) জাহিদুল ইসলাম কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মাহবুব ইসলামের ফোন নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন ওই সাংবাদিক। ঘটনার ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পরও ফোনটি ফেরত পাননি তিনি।

মাহবুব ইসলাম জানান, পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের লাঠিচার্জের দৃশ্য ধারণ করছিলেন তিনি। এ সময় এডিসি জাহিদুল ইসলাম তার কাছে ফোন চান। তিনি ফোনটি সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে ওই কর্মকর্তা সেটি টান দিয়ে নিয়ে যান। পরে সাংবাদিক পরিচয়পত্র দেখিয়েও ফোনটি ফেরত পাননি।

এ ঘটনায় মিরপুর মডেল থানার ওসির সঙ্গে কথা বলেও সমাধান পাননি বলে জানান মাহবুব। পরে এডিসির সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে ফোন ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে শেষ পর্যন্ত ফোনটি পুলিশের হাতে পৌঁছায়নি বলে জানানো হয়। ফোনটি খুঁজে না পাওয়া গেলে নতুন ফোন কিনে দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

একই ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহের সময় পুলিশের বাধার মুখে পড়েন ঢাকা পোস্টের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মারুফ হোসেন। তার অভিযোগ, ভিডিও ধারণের সময় এডিসি তাকে সরে যেতে বলেন। বাধা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, তখন তিনি অনেক ঝামেলায় ছিলেন এবং তার মাথা গরম ছিল।

মাহবুব ইসলাম বলেন, তার মোবাইল ফোনে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, বিশেষ প্রতিবেদনসংক্রান্ত বক্তব্য ও প্রয়োজনীয় নথি রয়েছে। ফোনটি না থাকায় পেশাগত কাজে সমস্যায় পড়েছেন তিনি।

তবে সাংবাদিকের মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এডিসি জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমি সাংবাদিকের কোনো মোবাইল নিইনি।’ পরে তাকে ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখানো হলে এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..