বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মধুখালীতে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লোহাগড়ায় সংখ্যালঘুদের চলাচলের রাস্তা অবরুদ্ধ করে রেখেছে একদল ভূমি দস্যু  সন্ত্রাসী  লোহাগড়ায় পুলিশের তান্ডব প্রতিবাদে  এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন  বাগেরহাটের মংলায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ১৫ কেজি গাঁজাসহ এক নারী মাদক কারবারি আটক নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জে হিলফুল ফুজুল যুব সংঘের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রিক বিতরণ খুলনার রূপসায় সালাম জুট মিলে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৬ টি ইউনিট , নড়াইলে ধান ক্ষেতে প্রতিক্ষণ বিমান!  রাউজান থানায় সড়ক দূর্ঘটনায় বাঁশখালীর ২ হাফেজ ইমামের মৃ*ত্যু বাগেরহাটে অসহায় হত দরিদ্র মানুষের হাতে ঈদ উপহার তুলে দিলেন জনতার এমপি শেখ সারহান নাসের তন্ময় গণমাধ্যমকর্মীদের সংগঠন বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ইউনিটি’র উদ্যোগে ইফতার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গলাচিপায় গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, স্বজনদের দাবি হত্যা।

মোঃ মনজুরুল ইসলাম গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৩
 পটুয়াখালীর গলাচিপায় রুমিয়া (১৬) নামে এক গৃহবধূর বাথরুমের চালের আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) বেলা ১১ টার দিকে গলাচিপা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মুজিব সড়কের হাওলাদার বাড়ির পাশে বশিরের ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রুমিয়ার স্বামী বোরাক চালক মো: শাহীন ফকির (২১)। তিনি পানপট্টি ইউনিয়েনের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিবির হাওলা গ্রামের বেল্লাল ফকিরের ছেলে। পরিবারসহ তারা গলাচিপা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বশিরের বাসায় ভাড়া থাকতেন।
স্বজনদের দাবি স্বামী, শশুর —শাশুড়ী হত্যা করে বাথরুমের চালের আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে ঝুলিয়ে রাখে। মৃত গৃহবধূর রুমিয়া পানপট্টি ইউনিয়নের ১নম্ব ওয়ার্ডের বাসিন্দা রফিক গাজীর ছোট মেয়ে।
নিহতের পিতা রফিক গাজী জানান, পারিবারিক ভাবে ৭ মাস পূর্বে একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিবির হাওলা গ্রামের বেল্লাল ফকিরের ছেলে শাহীন ফকিরের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সয়ম যৌতুক এর জন্য মারধর করতো স্বামী। এমনকি বাবার বাড়ি বেড়াতে পর্যন্ত যেতে দিতো না। প্রায়ই মেয়ে ফোন করে মারধরের কথা তাদের জানাতো। তিনি আরও বলেন, মরদেহ দেখে মনে হচ্ছে না রুমিয়া আত্মহত্যা করেছে। এটা হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রেখেছে।
মৃত রুমিয়ার বড় বোন সুমি বলেন, সোমবার রাতে রুমিয়া ফোন করে তাকে জানান স্বামী তাকে মারধর করেছে। এর আগেও ফোন করে প্রায়ই বলতো স্বামীর মারধরের কথা। তারা সবসময় বুঝিয়ে রাখতো। শাহীন অন্য মেয়ের সাথে সম্পর্ক করে এমন কথাও তার বোন রুমিয়া তাকে বলেছেন। সুমি দাবি করেন রুমিয়াকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তার বোন আত্মহত্যা করতে পারে না।
রুমিয়ার স্বামী শাহীন বলেন, ‘আমি তাকে কেন হত্যা করব? সে কেন মারা গেছে আমি জানি না’। সে যৌতুকের বিষয় অস্বীকার করেন।
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শোনিত কুমার গায়েন জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশটির ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। স্বজনদের কোন অভিযোগ থাকলে মামলা নেয়া হবে। #

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..