টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নিখোঁজের চার দিন পর যুবদল নেতা ইউসুফ খান (৩২)-এর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের ঘাগরাই গ্রামের আলমাসের একটি ইটভাটার মাটির স্তূপের নিচ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত ইউসুফ খান ওই গ্রামের দুলাল খানের ছেলে এবং আজগানা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
নিহতের ভাতিজা নীরব খান জানান, গত শনিবার সন্ধ্যায় ইউসুফ খান বাড়ির পাশের একটি মাটির সাইড দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হন। এরপর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তিনি বাড়িতে ফিরে না আসায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি ও সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে তার বোন পান্না আক্তার মির্জাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
এ ঘটনায় পূর্ব শত্রুতার জেরে পুলিশ ঘাগরাই গ্রামের আলমগীরের ছেলে রিজন এবং একই গ্রামের সৌদিপ্রবাসী হানিফকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে ইটভাটার মাটির স্তূপের নিচ থেকে ইউসুফ খানের লাশ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের তথ্য মতে, শনিবার একটি মাটির ট্রাকের ধাক্কায় হানিফের একটি গাছ ভেঙে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হানিফের সঙ্গে ইউসুফ খানের কথা-কাটাকাটি হয়। মাটির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাসেল আহমেদ জানান, সন্দেহভাজনদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে।