মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
কুষ্টিয়ায় কোমারখালীতে জমি নিয়ে বিরোধ: প্রতিপক্ষের হামলায় গৃহবধূ নিহত, আটক ২ ফুটপাতে আর হকার বসতে দেওয়া হবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক দৌলতপুরে মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে বিশাল জনসভার আয়োজন খোকসা বাজারে ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু: পুলিশের প্রাথমিক ধারণা আত্মহত্যা নড়াইলে সিসিআইসির অভিযানে উদ্ধার ৩৬ মোবাইল, মালিকদের কাছে হস্তান্তর সংবাদ সংগ্রহে বাধা, সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নিলেন এডিসি নড়াইলে জানালার গ্রিল কেটে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, ৪০ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ কোটি টাকার মালামাল লুট খোকসায় অনলাইন গেমিংয়ের আড়ালে জুয়ার বিস্তার: নেশার জোয়ারে ভাসছে যুবসমাজ ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কে সিএনজি যেন মরণফাঁদ, সুবর্ণচরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ফুটপাতে আর হকার বসতে দেওয়া হবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক

বিশেষ প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর-১ ও মিরপুর-১০ নম্বর এলাকার ফুটপাতে আর হকারদের বসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

তবে উচ্ছেদ হওয়া হকারদের জন্য বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি। এ লক্ষ্যে মিরপুর ও উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় জায়গা খোঁজা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক।

সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে ডিএনসিসি প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

বৈঠকে হকার্স ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা মিরপুরসহ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসনের দাবিতে প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন।

এসময় ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, হকাররাও নগরীর অংশ। তাদের জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মিরপুর-১০, মিরপুর-১ ও উত্তরায় বিকল্প জায়গা খোঁজা হচ্ছে। দ্রুত এসব এলাকায় হকারদের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে ব্যবসার ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছে।

D

তিনি বলেন, উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসনে হলিডে মার্কেট চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। সরকারের এ পরিকল্পনার আওতায় হকারদের ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিকল্প স্থানে দোকান বসানোর সম্ভাবনা তুলে ধরে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা যদি হকারদের জন্য বিকল্প স্থানে তিন থেকে পাঁচশ দোকান বসার ব্যবস্থা করি, তাহলে ক্রেতারাও সেখানে আসবে এবং কেনাবেচা ভালো হবে।’

ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদের কারণ ব্যাখ্যা করে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ নিশ্চিত করতেই অবৈধ স্থাপনা ও হকারদের উচ্ছেদ করতে হয়েছে। ফুটপাতের পাশাপাশি সড়কের একটি অংশও দখল হয়ে যাওয়ায় পথচারীদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছিল।’

এ পরিস্থিতির জন্য কিছু সিন্ডিকেট ও হকারদের একটি অংশকে দায়ী করেন তিনি। তিনি অভিযোগ করেন, ফুটপাত ছাড়িয়ে সড়ক পর্যন্ত দখল করে রাখায় সাধারণ মানুষ হাঁটার জায়গা পাচ্ছিলেন না।

প্রশাসক দাবি করেন, উচ্ছেদ অভিযানের পর ফুটপাত সাধারণ মানুষের চলাচলের উপযোগী হয়েছে এবং নগরবাসী এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১ নম্বর এলাকার ফুটপাতে নতুন করে হকারদের বসার সুযোগ দেওয়া হবে না। তবে তাদের জীবিকার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা হবে।

বৈঠকে ৫ আগস্টের পর হকারসংক্রান্ত সমস্যা আরও জটিল হয়েছে বলে প্রশাসক ও হকার প্রতিনিধিরা একমত হন। এ সময় আগে থেকে যারা হকারি ব্যবসা করতেন, তাদের বিকল্প স্থানে বসার সুযোগ দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়।

পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে দোকানের ধরন নিয়েও নির্দেশনা দেন ডিএনসিসি প্রশাসক। তিনি জানান, বিকল্প স্থানে নিজস্ব যানচালিত দোকানের ব্যবস্থা রাখতে হবে। সেখানে চৌকি বসিয়ে ব্যবসা করা যাবে না।

বৈঠকে হকার প্রতিনিধিরা ও ডিএনসিসি প্রশাসক পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এসময় গুলশান জোনের উপপুলিশ কমিশনার মো. রুহুল কবির, গুলশান ও বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..