রোববার (৩০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ সাজিদ ভবনের নিচে দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ফেস্টে দেশের ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, প্রায় ৪০টি টেক ক্লাব এবং হাজারো প্রযুক্তিপ্রেমী তরুণ অংশ নিয়েছেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা তুলে ধরার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
ফেস্টে এআই, রোবোটিক্স, ইনোভেশন ও প্রজেক্ট শোকেসের পাশাপাশি আয়োজন করা হয়েছে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশনের। এর মধ্যে রয়েছে ‘ব্রেন চাইল্ড’, ‘এআই অ্যাডভেঞ্চার’, ‘এআই অ্যান্ড আইটি অলিম্পিয়াড’ এবং রোবোটিক্সপ্রেমীদের জন্য ‘রোবো সকার পার্টিসিপেশন কনটেস্ট’।
এছাড়া অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘টেক আনকাট সেশন’, যেখানে ২০০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। ফেস্টে রয়েছে টেককেয়ার জোন, ইন্ডাস্ট্রি টক ও লাইভ পিচের মতো আয়োজনও। এসব সেশনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সিইও, ইন্ডাস্ট্রি লিডার ও মেন্টররা অংশ নিচ্ছেন।
আয়োজক কমিটির সদস্য ও জকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য মেহেদী হাসান বলেন, ‘এটি শুধু একটি প্রযুক্তি উৎসব নয়। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ উদ্ভাবক, শিক্ষার্থী, টেক ক্লাব এবং শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার চেষ্টা এটি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রকল্প ও দক্ষতা প্রদর্শনের পাশাপাশি নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া, নেটওয়ার্কিং এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাচ্ছেন।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত এ ফেস্টে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধি এবং প্রযুক্তিখাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও উপস্থিত রয়েছেন।
অনুষ্ঠানে হোস্ট ও ব্র্যান্ডিং হেড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটির পিআর অ্যান্ড ব্র্যান্ডিং হেড রাকিব শিকদার।
রাকিব শিকদার বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিপ্রেমী শিক্ষার্থীদের একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসে তাদের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।’
তিনি বলেন, ‘টেক আনকাট সেশন, ব্রেন চাইল্ড, এআই অ্যাডভেঞ্চার, এআই অ্যান্ড আইটি অলিম্পিয়াড ও রোবো সকারের মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ করে দিয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, টেক ক্লাব ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরির ক্ষেত্রও তৈরি হয়েছে।’
প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের এই মিলনমেলার মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে তরুণদের জন্য নতুন ধারণা, দক্ষতা ও সম্ভাবনার একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি হবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা