মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
সরাইলে ৩ মাসের মাথায়ই বেহাল সড়ক: সংস্কারে গাফিলতি। দৌলতপুরে জমি নিয়ে বিরোধ: দখলচেষ্টা, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উত্তর ফটিকছড়িতে ৪৮ ঘন্টার হরতালের দ্বিতীয় দিনে ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিবাদ। খোকসা বাসস্ট্যান্ডে গণশৌচাগার নেই: চরম দুর্ভোগে যাত্রী ও পথচারীরা সংবিধান মেনেই যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে মির্জা ফখরুল সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারের মতো কিছু দেখছি না’ সরাইলে কালের স্রোতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে শতবর্ষের ছাতা মেরামতের পেশা। স্পিকারের সময় মিললে সন্ধ্যার মধ্যেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পরে অভিনেত্রী কাজলের ভিডিও ফাঁস, নেটদুনিয়া তোলপাড় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মানব বন্ধন।

সরাইলে ৩ মাসের মাথায়ই বেহাল সড়ক: সংস্কারে গাফিলতি।

এম বাদল খন্দকার (সরাইল উপজেলা প্রতিনিধি)
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

নির্মাণের মাত্র ৩ থেকে ৪ মাস পার হতে না হতেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার ‘পাঠান পাড়া থেকে সরাইল অন্নদা মোড়’ পর্যন্ত সড়কটি এখন চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বিশাল বিশাল গর্ত আর জলকাদা। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও এই পথে চলাচলকারী হাজারো মানুষ।

সরকারের বরাদ্দের টাকা এভাবে বিফলে যাওয়ায় এবং এলজিইডি (LGED) কর্মকর্তাদের দায়িত্বে চরম অবহেলার কারণে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

সড়কের বর্তমান চিত্র ও গণদুর্ভোগ
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মাত্র কয়েক মাস আগে সংস্কার করা রাস্তাটির পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলোতে কাদাপানি জমে ছোটখাটো ডোবায় পরিণত হয়। ছবিতেই স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, সড়কের মাঝখানে বিশাল গর্তে নোংরা পানি জমে আছে, যা এড়িয়ে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, “সরকারের এত বড় বরাদ্দের টাকা কি তবে হরিলুট হলো ? ৩ মাসের মাথায় যদি রাস্তার এই দশা হয়, তবে কাজের মান কেমন ছিল তা সহজেই অনুমেয়।”

এলজিইডি কর্মকর্তাদের অবহেলার অভিযোগ
স্থানীয় বাসিন্দারা কাজের মান নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, তদারকির দায়িত্বে থাকা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কাজের প্রক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত হাস্যকর ও দায়িত্বজ্ঞানহীন। এলাকাবাসী লক্ষ্য করেছেন, এলজিইডি অফিস থেকে রাস্তার কাজ করতে আসা চারজন লোকের মধ্যে তিনজনই দাঁড়িয়ে থাকেন এবং মাত্র একজন কাজ করেন! কাজের ক্ষেত্রে এমন চরম অবহেলা ও উদাসীনতার কারণেই রাস্তাটি এত দ্রুত টেকসইহীন হয়ে ভেঙে পড়েছে বলে মনে করছেন সাধারণ জনগণ।

এলাকাবাসীর দাবি ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী,সরাইল থানা পুলিশ প্রশাসন, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন। রাস্তাটির এই বেহাল দশার কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। বর্তমান পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর জোর দাবি—অবিলম্বে এই সড়কটির টেকসই ও মানসম্মত পুনঃমেরামত করা হোক। একই সাথে, সরকারি টাকা অপচয়ের পেছনে দায়ী ঠিকাদার এবং তদারকিতে অবহেলাকারী এলজিইডি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ স্থানীয় জনগণের।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..