বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
লোহাগড়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন গ্রেপ্তার আদালত প্রাঙ্গণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, আইভীর আইনজীবীসহ গ্রেফতার ৩ নরসিংদীতে বৃদ্ধা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, এসআই ইউসুফকে পুরস্কৃত কুষ্টিয়ায় খোকসা থানা পুলিশের অভিযানে ৩ মাদকসেবী গ্রেপ্তার: কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান ড. ইউনূসকে হেনস্তার দায় খলিলুরকে নিতে হবে: নাহিদ খোকসায় বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৭, মাদকসেবীদের কারাদণ্ড নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় ব্যবস্থা নেবে সরকার লোহাগড়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমুলক সভা খোকসায় গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মিন্টু গ্রেফতার গরুর মাংসের দাম ২৫০ টাকা করার দাবি, সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ

লোহাগড়ায় বিধবা ফারহানার একমাত্র সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন 

শরিফুজ্জামান
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
Oplus_16908288

 

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় স্বামীর মৃত্যুর পর শ্বশুরবাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়ে একমাত্র সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন  ফারহানা আক্তার নামে এক বিধবা মহিলা।
ন্যায্য ও আইনগত অধিকার ফিরে পেতে তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায়
লোহাগড়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ফারহানা আক্তার জানান, ২০০৯ সালে লক্ষীপাশা গ্রামের মৃত রুফল মোল্যার ছেলে মোঃ মুকুল মোল্যার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই শাশুড়ি, ভাসুর ও ননদদের পক্ষ থেকে তাকে যৌতুকের জন্য চাপ ও বিভিন্নভাবে শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়।
তিনি আরও বলেন, তাদের দাম্পত্য জীবনে ফারদিন মোল্যা (১৪) নামে এক পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। জীবিকার তাগিদে তার স্বামী বিভিন্ন স্থানে চাকুরী করার পর সর্বশেষ পৌর শহরের রামপুর নিরিবিলি পিকনিক স্পটে টিকিট কাউন্টারের ম্যানেজার হিসেবে কাজ নেন।
বিগত ২০২৫ সালের ২৭ আগষ্ট কর্মস্থলে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মৃত্যু বরন করেছেন।
স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানসহ শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করলেও গত ২০২৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর শাশুড়ি লিলিয়া বেগম, ভাসুর
বাবুল মোল্যা, ননদ রিনা পারভীন, সুমি বেগম পরস্পর যোগসাজগে সন্তানসহ তাকে ঘর থেকে বের করে দেয়। এ সময় তার ব্যবহৃত স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান সামগ্রী আটকে রাখা হয় বলেও দাবি করেন তিনি।
বর্তমানে তিনি একমাত্র সন্তান লক্ষীপাশা আদর্শ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র ফারদিন মোল্যাকে নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা মধ্যে মানবেতর ভাবে দিন কাটাচ্ছেন।
সন্তানের পড়াশোনা, বাসাভাড়া ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে। সহানুভূতির ভিত্তিতে লোহাগড়ার নিরিবিলি পার্কে স্বল্প বেতনে চাকরি করছেন বলেও জানান তিনি।
ফারহানা আক্তার অভিযোগ করেন, আমাকে পার্ক ও আশ্রয়স্থল থেকে বিতাড়িত করার জন্য আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ছড়ানো হচ্ছে।
আমার স্বামীর মৃত্যর ৫ দিন পূর্বে আমার পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যায়। আবার আমার স্বামীর মৃত্যুর ৭ দিন পর আবার  আমার পিরিয়ড আবার স্বাভাবিক হয়। অথচ পার্ক মালিক সেলিনা রহমানের নিকট আমার নামে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে যে আমি নাকি আমার পেটে থাকা ৬ মাসের সন্তান নষ্ট করে ফেলেছি যা সম্পুর্ন মিথ্যা বানোয়াট মনগড়া ও ভিত্তিহীন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার স্বামীর বসতভিটায় ফিরে যাওয়ার জন্য আইনগত অধিকার অনুযায়ী বসবাসের সুযোগ ও প্রাপ্য অধিকার
নিশ্চিত করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সমাজের সচেতন মহলের সহযোগিতা কামনা করেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..