শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১০ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
খোকসায় ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ লোহাগড়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন গ্রেপ্তার আদালত প্রাঙ্গণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, আইভীর আইনজীবীসহ গ্রেফতার ৩ নরসিংদীতে বৃদ্ধা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, এসআই ইউসুফকে পুরস্কৃত কুষ্টিয়ায় খোকসা থানা পুলিশের অভিযানে ৩ মাদকসেবী গ্রেপ্তার: কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান ড. ইউনূসকে হেনস্তার দায় খলিলুরকে নিতে হবে: নাহিদ খোকসায় বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৭, মাদকসেবীদের কারাদণ্ড নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় ব্যবস্থা নেবে সরকার লোহাগড়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমুলক সভা খোকসায় গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মিন্টু গ্রেফতার

ভোট কিনতে গিয়ে ধাওয়া খেয়ে পালালেন জামায়াত নেতা

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ-কামারখন্দ) আসনের কামারখন্দ উপজেলায় ভোট কেনার অভিযোগে স্থানীয় জনতার ধাওয়া খেয়ে এক জামায়াত নেতার পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নের ময়নাকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মোস্তাক সরকার ঝাঐল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর আমির হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, মোস্তাক সরকার এক ব্যক্তির হাতে নগদ টাকা তুলে দিচ্ছেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন যুবক সেখানে উপস্থিত হয়ে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ শুরু করেন এবং টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে চান। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সরে পড়েন। পরে উপস্থিত জনতা তাকে ধাওয়া করলে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান।
ঘটনার বিষয়ে সিরাজগঞ্জ-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলামের প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের আগে কেন্দ্রভিত্তিক খরচ ও কর্মীদের নাস্তার জন্য কিছু অর্থ বরাদ্দ থাকে। মোস্তাক সরকারের কাছে থাকা টাকা হয়তো সেই খরচের অংশ ছিল। জনসমাগম ও ভিডিও ধারণের কারণে তিনি আতঙ্কিত হয়ে সেখান থেকে চলে যান। এটি কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ড ছিল না বলে তিনি দাবি করেন।
অন্যদিকে, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। তিনি অভিযোগ করেন, অর্থ দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনি এলাকায় যেকোনো ধরনের অনৈতিক অর্থ লেনদেন বা ভোটার প্রভাবিত করার অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..