রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান ১১ দলের ঘোষিত ৫ সেপ্টেম্বরের চট্টগ্রামে লংমার্চ সফল করতে  উত্তর জেলা জামায়াতের  দায়িত্বশীল সমাবেশ। নেপালে আকস্মিক বন্যা–ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১৫৭, এখনো নিখোঁজ ৪০৩ জন গোয়ালন্দে যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন মান্নান হত্যা মামলায় সন্দেহভাজনদের নাম অন্তর্ভুক্ত না করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।  গোয়ালন্দে ঘরের ভেতর যুবককে গলা কে’টে হ’ত্যা ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা সদর নিয়ে আন্দোলন,  পাশে দাড়িয়েছেন সাবেক বিচারপতি ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী। জকসুর উদ্যোগে জবি মেডিকেল সেন্টারে যুক্ত হচ্ছে ১৩ আধুনিক যন্ত্র রাশিয়ার দুই আন্তর্জাতিক আয়োজনে পুতিনের আমন্ত্রণ পেলেন সাবেক জবি শিক্ষার্থী শিফা হালদা রক্ষায় আপস নয়, বালি-মাটি উত্তোলন বন্ধের হুঁশিয়ারি: এমপি সরোয়ার আলমগীর

বারহাট্টায় সমাজকর্মীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৫

নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলার সমাজসেবা অফিসের আসমা ইউনিয়নের সমাজকর্মী মো. খায়রুল আমিনের বিরুদ্ধে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. খবিরুল আহসান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এরআগে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ইউএনও এর কার্যালয়ে অভিযোগ পত্রটি ভুক্তভোগীদের পক্ষে লিখিত অভিযোগ জমা দেন উপজেলার কৈলাটি গ্রামের বাসিন্দা মো. শহিদুজ্জামান খান।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মো. খায়রুল আমিন বারহাট্টা উপজেলা সমাজসেবা অফিসে কর্মরত ও আসমা ইউনিয়নে সমাজকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি এলাকার হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের কাছ থেকে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেয়ার কথা বলে ৬৪ জনের কাছ থেকে মোট ৩২ হাজার টাকা নেন। দীর্ঘ এক বছর পার হয়ে গেলেও কার্ড হয়েছে মাত্র তিনটি।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রথমে তিনি প্রতিজনের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে নেন। পরে মাত্র তিনজনের কার্ড হলে আমরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, অফিসের বড় কর্মকর্তারা এত কম টাকায় কাজ করবেন না, আরও টাকা দিতে হবে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সমাজকর্মী মো. খায়রুল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইলফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

বারহাট্টা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এ এস এম গোলাম হোসাইন বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. খবিরুল আহসান বলেন, আমার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ জমা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য ইতিমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..