রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান ১১ দলের ঘোষিত ৫ সেপ্টেম্বরের চট্টগ্রামে লংমার্চ সফল করতে  উত্তর জেলা জামায়াতের  দায়িত্বশীল সমাবেশ। নেপালে আকস্মিক বন্যা–ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১৫৭, এখনো নিখোঁজ ৪০৩ জন গোয়ালন্দে যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন মান্নান হত্যা মামলায় সন্দেহভাজনদের নাম অন্তর্ভুক্ত না করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।  গোয়ালন্দে ঘরের ভেতর যুবককে গলা কে’টে হ’ত্যা ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা সদর নিয়ে আন্দোলন,  পাশে দাড়িয়েছেন সাবেক বিচারপতি ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী। জকসুর উদ্যোগে জবি মেডিকেল সেন্টারে যুক্ত হচ্ছে ১৩ আধুনিক যন্ত্র রাশিয়ার দুই আন্তর্জাতিক আয়োজনে পুতিনের আমন্ত্রণ পেলেন সাবেক জবি শিক্ষার্থী শিফা হালদা রক্ষায় আপস নয়, বালি-মাটি উত্তোলন বন্ধের হুঁশিয়ারি: এমপি সরোয়ার আলমগীর

মোহনগঞ্জ প্রেসক্লাবের অর্থ আত্মসাতের দায়ে সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার

মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোহনগঞ্জ,নেত্রকোণা:
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১ জুন, ২০২৪
 অর্থ আত্মসাৎ, নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির দায়ে নেত্রকোণা’র মোহনগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুম আহমেদকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি পাশপাশি আত্মসাতকৃত অর্থ এক মাসের মধ্যে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবের সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মাসুম আহমেদকে বহিষ্কার করা হয়। এসময় সভায় তিনি উপস্থিত ছিলেন এবং দৈনিক যায় যায় দিন পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি তিনি।
শনিবার বিকালে মোহনগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম আজাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সভাপতি আবুল কাসেম আজাদ জানান, বিভিন্ন খাত থেকে আসা প্রেসক্লাবের অনুদানের পাঁচ লাখের বেশি টাকা আত্মসাৎ করেন সাধারণ সম্পাদক মাসুম আহমেদ। যদিও সাধারণ সম্পাদক অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি অস্বীকার করেন। সেইসাথে অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ভুয়া রেজ্যুলেশন ও গায়েবি বিল ভাউচার তৈরি করেন তিনি। পরে বিষয়টি তদন্তে ক্লাবের তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত গঠন করা হয়। তদন্তে অর্থ আত্মসাত ও ধামাচাপা দিতে ভুয়া রেজ্যুলেশন ও গায়েবি বিল ভাউচারের বিষয়টি ধরা পড়ে।
তিনি আরও জানান, তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ক্লাবের সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সাধারণ সম্পাদক মাসুম আহমেদকে তাঁর পদ থেকে অপসারণ ও ক্লাবের সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। সেইসাথে আত্মসাতকৃত পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে এক লাখ টাকা মাফ করে দেওয়া হয়। বাকি চার লাখ টাকা আগামী ৩০ দিনের মধ্যে প্রেসক্লাবের একাউন্টে জমা দিতে বলা হয়। অন্যথায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ দিকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানিক তালুকদার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
মানিক তালুকদার জানান, মাসুম আহমেদ নিজ সংগঠনের অর্থ আত্মসাতসহ নানা অনিয়ম করে প্রেসক্লাব ও সাংবাদিকদের মান-সম্মান ক্ষুন্ন করেছেন। এ রায় সাংবাদিকদের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি অনিয়মের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
বহিষ্কারের বিষয়ে মাসুম আহমেদ বলেন, যড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি। বক্তব্য দেওয়ার মতো কিছু নাই। যে অডিট রিপোর্ট হয়েছে তা সত্য নয় এবং তিন বছরের খরচগুলোও ধরা হয় নাই। টাকা ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে এমন প্রশ্নে তিনি (মাসুম) বলেন, হাউজ যেহেতু সিদ্ধান্ত দিয়েছে করার কিছু নাই। অপরাগতা থাকলেও সংগঠনের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হবে।
প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নরোত্তম রায় বলেন, অনিয়ম করে কেউ পার পায় না। এই রায় তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
উল্লেখ্য- অর্থ আত্মসাৎ, নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে গত ১৯ এপ্রিল ক্লাবের সাধারণ সভায় তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে ২৯ এপ্রিল তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করে। তদন্তে অর্থ আত্মসাতসহ ব্যাপক অনিয়ম ধরা পড়ে। তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী গত শুক্রবার ক্লাবের সাধারণ সভায় মাসুম আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে ও প্রেসক্লাব থেকে বহিষ্কার করা হয়।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..