সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
মহানবী (সা.)-এর উদারতা কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে ৫০০ বছরের পুরনো শদাইশাহ (রা.) মাজার নড়াইলে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে-পিটিয়ে গুরুতর জখম টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত, শ্রেষ্ঠ ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন রাঙ্গাবালীতে জেলে চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, টাকা আদায়ের ক্ষোভ বাঞ্ছারামপুরে গ্যাস সিন্ডিকেটবিরোধী অভিযান, ১৩ ডিলারকে জরিমানা তৃণমূলের আস্থা সাজ্জাদ মুন্নার হাতে, ছাত্রদলের নেতৃত্বে দেখার দাবি কেরানীগঞ্জে গ্যাসলাইটার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রীর শোক কেরানীগঞ্জে গ্যাসলাইটার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রীর শোক জ্বালানি সংকটে রোববার থেকে নতুন অফিস সময়সূচি

ভোট কিনতে গিয়ে ধাওয়া খেয়ে পালালেন জামায়াত নেতা

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ-কামারখন্দ) আসনের কামারখন্দ উপজেলায় ভোট কেনার অভিযোগে স্থানীয় জনতার ধাওয়া খেয়ে এক জামায়াত নেতার পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নের ময়নাকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মোস্তাক সরকার ঝাঐল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর আমির হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, মোস্তাক সরকার এক ব্যক্তির হাতে নগদ টাকা তুলে দিচ্ছেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন যুবক সেখানে উপস্থিত হয়ে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ শুরু করেন এবং টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে চান। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সরে পড়েন। পরে উপস্থিত জনতা তাকে ধাওয়া করলে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান।
ঘটনার বিষয়ে সিরাজগঞ্জ-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলামের প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের আগে কেন্দ্রভিত্তিক খরচ ও কর্মীদের নাস্তার জন্য কিছু অর্থ বরাদ্দ থাকে। মোস্তাক সরকারের কাছে থাকা টাকা হয়তো সেই খরচের অংশ ছিল। জনসমাগম ও ভিডিও ধারণের কারণে তিনি আতঙ্কিত হয়ে সেখান থেকে চলে যান। এটি কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ড ছিল না বলে তিনি দাবি করেন।
অন্যদিকে, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। তিনি অভিযোগ করেন, অর্থ দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনি এলাকায় যেকোনো ধরনের অনৈতিক অর্থ লেনদেন বা ভোটার প্রভাবিত করার অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..