ভোলার রাজপথের লড়াকু সৈনিক ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দুঃসময়ের কাণ্ডারি সাজ্জাদ হোসেন মুন্নাকে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দেখতে চায় তৃণমূলের হাজারো নেতাকর্মী। তার দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম, ত্যাগ ও নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই দাবি দিন দিন জোরালো হচ্ছে।
তৃণমূলের প্রত্যাশা
নেতাকর্মীদের মতে, গত দেড় দশকে ভোলার প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সাজ্জাদ হোসেন মুন্নার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ ও অনন্য। তার নেতৃত্বে রাজপথে সক্রিয় থেকেছে ছাত্রদলের অসংখ্য নেতাকর্মী। মামলা-হামলা ও নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে তিনি দলকে সুসংগঠিত রেখেছেন।
⚠️ ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস
আন্দোলন চলাকালে পুলিশের লাঠিচার্জে তার পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায়। দেশ-বিদেশে দীর্ঘ চিকিৎসা ও বিপুল অর্থ ব্যয়ের পর পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার আগেই তিনি আবারও রাজপথে সক্রিয় হন। নেতাকর্মীদের ভাষায়, তার কাছে পদ-পদবি বড় নয়—বরং তিনি নিজেই একটি পদের মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।
কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব
সাধারণ কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাজ্জাদ হোসেন মুন্না শুধু একজন নেতা নন, তিনি কর্মী গড়ার কারিগর। তৃণমূলের কর্মীদের প্রতি তার আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধ তাকে সবার কাছে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে।
একজন কর্মীর ভাষায়, “মুন্না ভাই আমাদের মনে-প্রাণে মিশে আছেন। রাজপথের লড়াইয়ে যার অবদান পাহাড়সম, তাকেই আমরা জেলা ছাত্রদলের অভিভাবক হিসেবে দেখতে চাই।”
কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান
তৃণমূল নেতাকর্মীরা মনে করছেন, জিয়া পরিবারের আদর্শে বিশ্বাসী এবং শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণকারী এই নেতাকে সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করা এখন সময়ের দাবি। তাদের প্রত্যাশা, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তৃণমূলের আবেগ, ত্যাগ ও মূল্যায়ন করে সাজ্জাদ হোসেন মুন্নাকে যোগ্য স্থানে অধিষ্ঠিত করবেন।