সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার মাধ্যমে অর্থদণ্ড জরিমানা ঢাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গুলি করে হত্যা, আরও একজন আহত মদনে বিএনপি নেতা এনামুল হক নিজ উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ সিন্ডিকেট প্রধান আব্দুস সালাম আরেফকে তলব করেছে প্রতিযোগিতা কমিশন তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ উত্তরবঙ্গের ৯ জেলা সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তা চেয়ে সরকারের কাছে বিএনপির চিঠি হাদি হ’ত্যাকা’ণ্ড যুবলীগ নেতা বাপ্পীর নির্দেশেই লালমোহনে আইনশৃঙ্খলা কোন পথে? খুন–চুরি–মাদকের ঘটনায় বাড়ছে উদ্বেগ! বরুড়ায় ফসলি জমিতে মাটি কাঁটার হিড়িক, নীরব ভূমিকায় প্রশাসন সকালে রিমান্ড, বিকেলে জামিন মঞ্জুর, সন্ধ্যায় মুক্তি সুরভীর

তারেক-জুবাইদার বিরুদ্ধে দুদকের মামলার রায় আজ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ২ আগস্ট, ২০২৩

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার রায় ঘোষণার জন্য আজ (২ আগস্ট) দিন ধার্য রয়েছে।

ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. আসাদুজ্জামানের আদালত এ রায় ঘোষণা করবেন। এর আগে গত ২৭ জুলাই আদালত এ মামলার যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য এদিন ধার্য করেন। এ মামলায় তাদের পলাতক দেখানো হয়েছে।

এর আগে গত ২৭ জুলাই ঢাকার সিনিয়র মহানগর স্পেশাল জজ মো. আছাদুজ্জামান রায় ঘোষণার এ দিন ধার্য করেন। ওইদিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হলে বিচারক রায়ের দিন নির্ধারণ করেন।

আদালতের নথি থেকে জানা গেছে, ২০২২ সালের ১ নভেম্বর তারেক রহমান ও ডা. জোবায়দার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। বর্তমানে তারা পলাতক রয়েছেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ঘোষিত আয়ের বাইরে চার কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া এবং সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলা করে দুদক। মামলায় তারেক রহমান, ডা. জোবায়দা রহমান ও তারেক রহমানের শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়। এরপর ২০০৮ সালে এই তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

এদিকে মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন ডা. জোবায়দা। ওই বছরই এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে আপিল করলে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন। তবে, এ বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ (রুল ডিসচার্জ) করে রায় দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই মামলায় আট সপ্তাহের মধ্যে জোবায়দাকে বিচারিক আদালতে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

উচ্চ আদালতের এ খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে ওই বছরই লিভ টু আপিল করেন ডা. জোবায়দা। এরপর প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ লিভ টু আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..