শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
গোয়ালন্দে ৭ বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, বৃদ্ধ দূরসম্পর্কের দাদা গ্রেপ্তার আ. লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১১ ছাত্রদলকে ‘কুত্তার মতো পিটিয়ে’ রাজশাহী ছাড়া করার হুমকি শিবির নেতার, বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম দুই-একটা ককটেল ফাটিয়ে সরকারের কিছু করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী ৩০ জানুয়ারি সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে খোকসায় শিক্ষার্থীদের সচেতন করলেন ওসি মোল্লা জাকির হোসেন আইফোনের জন্য নয়, ধারের টাকা ফেরত চাওয়ায় অপ্রতিমকে হত্যা স্বাস্থ্য খাতের ওপর সরকারের বড় সাফল্য নির্ভর করছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

গোয়ালন্দে ৭ বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, বৃদ্ধ দূরসম্পর্কের দাদা গ্রেপ্তার

শফিকুল ইসলাম গোয়ালন্দ উপজেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় সাত ( ৭) বছর বয়সী এক কন্যাশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে হবিবুর রহমান সরদার (৬০) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গোয়ালন্দ ঘাট থানা-পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। এর আগে ঘটনার শিকার শিশুটির পিতা বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারকৃত হবিবুর রহমান সরদার ওরফে হবি সরদার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ওমেদ আলী সরদারের ছেলে। তিনি সম্পর্কে ভুক্তভোগী শিশুটির দূরসম্পর্কের দাদা হন।

মামলার এজাহার ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, যৌন হয়রানির শিকার ওই শিশুটি প্রতিবেশী অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে নিয়মিতই হবি সরদারের বাড়ির আঙিনায় ও উঠানে খেলাধুলা করত। গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে অন্যান্য দিনের মতোই শিশুটি হবি সরদারের উঠানে খেলতে যায়। এ সময় সুযোগ বুঝে অভিযুক্ত হবি সরদার শিশুটিকে কোলে তুলে কৌশলে নিজের বসতঘরের ভেতরে নিয়ে যান এবং ভেতর থেকে ঘরের দরজা ও জানালা বন্ধ করে দেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘরের ভেতরে নিয়ে শিশুটির ওপর শারীরিক নির্যাতন ও যৌন নিপীড়ন চালানো হয়। একপর্যায়ে অসহ্য যন্ত্রণায় শিশুটি চিৎকার করতে থাকলে আশপাশের প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অভিযুক্ত হবি সরদার ভয় পেয়ে শিশুটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ছেড়ে দেয়। ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় শিশুটি দ্রুত সেখান থেকে দৌড়ে নিজের বাড়িতে চলে যায়।

“আমার নিষ্পাপ মেয়েটির সঙ্গে ঘটে যাওয়া এই পাশবিক ঘটনার কথা সে ওইদিনই বাড়িতে ফিরে এসে তার মাকে জানায়। লোকলজ্জা এবং মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আমরা প্রথমে কয়েক দিন দ্বিধাদ্বন্দ্বে ও আতঙ্কে চুপ ছিলাম। কিন্তু অপরাধীকে এভাবে ছেড়ে দিলে সমাজের অন্য শিশুদের নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হতে পারে ভেবে পরিবারের সবার সঙ্গে পরামর্শ করে থানায় মামলা করেছি। আমরা এই জঘন্য অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..