উত্তর ফটিকছড়ির তিন ইউনিয়নের ডাকা ৪৮ ঘন্টার হরতালের দ্বিতীয় দিন আজ।
বাগান বাজার থেকে নারায়নহাট পর্যন্ত সকল দোকান পাট,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,ব্যাংক বীমা অফিস সহ সলক ধরনের কাজ কর্ম বন্ধ করে হরতালের সমর্থনে রাস্তায় নেমে এসেছে।
উত্তর ফটিকছড়ির তিন ইউনিয়নের জনগণ তাদের ন্যায্য অধিকার “ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা” সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে বাস্তবায়নের জন্য ৪৮ ঘন্টার হরতালের ডাক দিয়েছে উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটি।রোববার থেকে টানা ৪৮ ঘন্টার হরতালের দ্বিতীয় দিনে আজ ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিবাদের অংশ হিসেবে শান্তিরহাট বাজারে আহম্মদ ছাপা ও ইমরান খানের নেতৃত্বে শতশত মানুষ রাস্তায় বসে দুপুরের খাবার খাচ্ছেন।সড়ক অবরোধ করে শান্তিপূর্ণ ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে হরতাল পালন করতেছে তারা। থমকে গেছে সবকিছু কোন সাড়াশব্দ নেই।
বাগান বাজার থেকে নারায়নহাট পর্যন্ত জনগন রাস্তায় বেরিগেড দিয়ে অবরোধ জরে হরতাল পালন করে আসছে। তাদের ন্যায্য অধিকার যৌক্তিক স্থানে সদর দপ্তর বাস্তবায়নেড জন্য,এটি উত্তর ফটিকছড়ির জনগনের ন্যায়্য অধিকার।তারা তাদের অধিকারের জন্য রাস্তায় নেমে এসেছে।
কোন অপ্রিতিকর ও বিচ্ছিন্ন ঘটনা ব্যতীত নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় শান্তিূর্নভাবে হরতাল পালন করতেছে।
উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যরা বলেন এই ৪৮ ঘন্টার হরতালের মধ্যে যদি সরকার উপজেলা সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের কোন সুরাহা না করে তাহলে সামনের দিনগুলোতে আমরা আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষনা করতে বাধ্য হব।
আমরা আমাদের প্রানের দাবী “ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা”
সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে বাস্তবায়ন করতেই হবে।যে নাামে উপজেলা ঘোষণা হয়েছে সে নামের সে এলাকাতেই তার বাস্তবায়ন চাই। উত্তরের উপজেলা উত্তরেই হতে হবে।
এটিই মূলত তাদের প্রানের দাবী। “ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা” সদর দপ্তর উত্তরেই হতে হবে।