১৪ এপ্রিল ২০২৬,১লা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (মঙ্গলবার) সকাল ১১ টায় টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
টাঙ্গাইল জেলা শহরে পৌঁছে প্রথমে তিনি মাওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত করেন। এরপর তিনি সরাসরি চলে আসেন শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদের সভাপতিত্বে প্রথমে কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু করা হয়।এরপর অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও তাদের নিজ নিজ ধর্মের বাণী পাঠ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, প্রতিমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামটি তখন ভি ভিআইপি,ভিআইপি,বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক ছাত্র, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের উপস্থিতিতে পরিপূর্ণ ছিল। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার ছিল। তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সকাল থেকেই সেনাবাহিনী,র্যাব,পুলিশ বাহিনীসহ গোয়েন্দা শাখার সদস্যদের তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। র্যাবের প্রশিক্ষিত ডগ স্কোয়াড দিয়ে পুরো এলাকা পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়।
অনুষ্ঠানেবিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আজ পহেলা বৈশাখ, বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন এটি। এই দিনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে টাঙ্গাইলবাসী গর্বিত।
অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় কৃষি মন্ত্রী আমিনুর রশিদ বলেন, কৃষক কার্ড চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো কৃষকদের জন্য সরকারি ভর্তুকি, কৃষিঋণ সহায়তা এবং অন্যান্য কৃষি সেবা দ্রুত, স্বচ্ছ ও সহজলভ্য করা এবং কৃষকদের আর্থ সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করা। প্রাথমিকভাবে ২২ হাজার ৬৫ জনকে কৃষক কার্ড প্রদান করা হবে। তারা প্রত্যেকে বছরে ২৫০০ টাকা করে নগদ সহায়তা পাবে।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতায় তারেক রহমান বলেন, কৃষক বাঁচলে বাজবে দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। তিনি আরো বলেন, এদেশের সকল মানুষ নিরাপদে বসবাস করবে, সকল শ্রেণী পেশার মানুষের আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি পাবে, এটাই আমার লক্ষ্য।
পরে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত কৃষান, কৃষাণীদের মাঝে কৃষক কার্ড বিতরণ করেন।