নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় জেলেদের জন্য সরকারি অনুদানের আওতায় বিতরণ করা ৬০টি বকনা গরুর সঠিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। এ নিয়ে তথ্য জানতে চাইলে সাংবাদিকদের সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাসুম খান।
জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে “দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন” প্রকল্পের আওতায় লোহাগড়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জেলে পরিবারের মাঝে ৬০টি বকনা গরু ও খাদ্য সহায়তা বিতরণের কথা রয়েছে। তবে এই গরুগুলো কারা পেয়েছেন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সাংবাদিকরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাসুম খান বলেন, “৬০টি বকনা গরু জেলেদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। তবে আমার কাছে কোনো তালিকা নেই। তালিকা প্রকল্প দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও জানান, এ সংক্রান্ত কোনো তালিকা তিনি সরবরাহ করতে পারবেন না।
এদিকে, স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, প্রকৃত উপকারভোগীদের নাম প্রকাশ না করায় অনুদান বিতরণ নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। “৬০টি গরু কোথায় গেল?”—এমন প্রশ্ন এখন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে।
এ বিষয়ে নড়াইল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, “বিষয়টি আমি এখনই আপনাদের কাছ থেকে জানলাম। তালিকা উপজেলা মৎস্য অফিসে থাকার কথা। কেন তিনি তথ্য দিচ্ছেন না, তা খতিয়ে দেখে আপনাদের জানানো হবে।”
ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের দাবি উঠেছে।