শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি গোপালগঞ্জসহ ৩ জেলায় বিজিবি মোতায়েন ভাসানীর আদর্শে দল পুনর্গঠনের অঙ্গীকার, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী নড়াইলে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারী শ্রমিকের  খোকসায় ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ লোহাগড়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন গ্রেপ্তার আদালত প্রাঙ্গণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, আইভীর আইনজীবীসহ গ্রেফতার ৩ নরসিংদীতে বৃদ্ধা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, এসআই ইউসুফকে পুরস্কৃত কুষ্টিয়ায় খোকসা থানা পুলিশের অভিযানে ৩ মাদকসেবী গ্রেপ্তার: কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান ড. ইউনূসকে হেনস্তার দায় খলিলুরকে নিতে হবে: নাহিদ

নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি

বিশেষ প্রতিনিধি :
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬

facebook sharing button
twitter sharing button
email sharing button

দেশে প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। এ কথা বলেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ‘শারদীয় দুর্গোৎসব’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার দেশের অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুরূপ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়গুলোর পরিচালনা, সংস্কার ও উন্নয়নে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। পুরোহিতদের মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদানের পাশাপাশি হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রম আরও জোরদার এবং ধর্মীয় কল্যাণমূলক অনুদান ও ব্যবস্থাপনায় আরও কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

এতে তিনি শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেশে ও বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশের সব হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, দুর্গাপূজা বাংলাভাষী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। শরতের নির্মল আকাশ, শুভ্র কাশফুল আর উৎসবের আনন্দঘন আবহে প্রতিবছর দেবী দুর্গার আগমন তার ভক্তদের হৃদয়ে জাগিয়ে তোলে নতুন আশা ও কল্যাণের প্রত্যয়। দুর্গোৎসবের অন্তর্নিহিত বাণী হলো অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের জয়। অন্যায়, অসত্য ও অমানবিকতার বিরুদ্ধে ন্যায় ও মানবতার চিরন্তন আহবান।

তিনি আরও বলেন, এ দেশের হিন্দু সম্প্রদায় আবহমানকাল ধরে উৎসবমুখর পরিবেশে নানান আয়োজনের মাধ্যমে দুর্গাপূজা উদযাপন করে আসছে। যা আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি অনন্য উদাহরণ। দুর্গাপূজা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসবই নয়, এর সঙ্গে মিশে আছে চিরায়ত বাংলার সমাজ-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য।

এ উৎসবে সমাজের সব স্তরের মানুষ আবদ্ধ হন সৌহার্দ্যের বন্ধনে। মানুষে-মানুষে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত হয়। শারদীয় দুর্গোৎসব সত্য-সুন্দরের আলোকে ভাস্বর হয়ে উঠুক, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরো সুদৃঢ় হোক-এ কামনা করি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ দেশের সব ধর্মীয় সম্প্রদায় যেন নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নির্ভয়ে, স্বাধীন, নিরাপদ ও আনন্দমুখর পরিবেশে পালন করতে পারেন-সে লক্ষ্যে কাজ করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহবান জানাই।

প্রতিটি ধর্মই মানুষকে সত্য, ন্যায়, সংযম ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দেয়। অন্যায় ও অসত্য থেকে দূরে রাখে, মুক্তির পথ দেখায়। তাই আসুন, যার-যার ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলি, মানবতার কল্যাণে সবাই নিবেদিত হই। ধর্ম, বর্ণ বা সাম্প্রদায়িক পরিচয়ের কারণে কোনো মানুষ যেন বৈষম্য, বঞ্চনা কিংবা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হন তার নিশ্চয়তা বিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রের, আমাদের সবার। শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ সমাজের অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝেও যেন ছড়িয়ে পড়ে-আমি সে আহবানও জানাই।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব হিন্দু সম্প্রদায়ের সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। সব ভেদাভেদ ভুলে মানবতা, ন্যায় ও কল্যাণের বার্তা ছড়িয়ে পড়ুক ঘরে ঘরে-শারদীয় দুর্গোৎসবে, এ আমার একান্ত প্রত্যাশা।

তিনি শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেশে ও বিদেশে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেছেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..