মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৫ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
যারা নারীদের নিরাপত্তায় ব্যর্থরা দেশও রক্ষা করতে পারবে না: ডা. শফিকুর আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় যেকোনো দিন ঢাকা-৮ আসনে নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারীর নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা লোহাগড়ায় ধানের শীষের পক্ষে মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের সহযোগিতা ও নিরাপত্তায় ইসির বিশেষ পরিপত্র ভোলায় দরিদ্রদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে সাউথইস্ট ব্যাংক টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার মাধ্যমে অর্থদণ্ড জরিমানা ঢাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গুলি করে হত্যা, আরও একজন আহত মদনে বিএনপি নেতা এনামুল হক নিজ উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ সিন্ডিকেট প্রধান আব্দুস সালাম আরেফকে তলব করেছে প্রতিযোগিতা কমিশন

মহিউদ্দিন-জাহাঙ্গীরের ফাঁসি কার্যকর

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৩

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এস তাহের আহমেদ হত্যা মামলার দুই আসামি মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এবং জাহাঙ্গীরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) রাত ১০টা ১ মিনিটে রাজশাহী কারাগারে একসঙ্গে দুজনেরই ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এজন্য রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছিল।

 

 

ফাঁসি কার্যকরের সময় কারাগারের ডিআইজি প্রিজন, সিনিয়র জেল সুপার ও জেলার ছাড়াও জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন, মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এই দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর করতে আট জন জল্লাদকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এছাড়া কারাগারের ভেতরে-বাইরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়।

 

 

গত মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) দুই আসামির পরিবারের সদস্যরা তাদের সঙ্গে শেষ সাক্ষাৎ করেছেন। জাহাঙ্গীরের পরিবারের ৪০ সদস্য তার সঙ্গে দেখা করেন। আর মহিউদ্দিনের সঙ্গে দেখা করেন স্ত্রীসহ তার পরিবারের চার সদস্য।

 

 

২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এস তাহের আহমেদ। ৩ ফেব্রুয়ারি বাসাটির পেছনের ম্যানহোল থেকে উদ্ধার করা হয় গলিত মরদেহ। ওইদিন রাতে তার ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ রাজশাহীর মতিহার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

 

পুলিশ অধ্যাপক তাহেরের সহকর্মী সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি মাহবুবুল আলম সালেহী ও স্থানীয় জাহাঙ্গীর আলমসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করে। ২০০৭ সালের ১৭ মার্চ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ২০০৮ সালের ২২ মে রাজশাহীর দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক চারজনকে ফাঁসির আদেশ ও দুজনকে খালাস দেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, অধ্যাপক ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর আলম, তার ভাই নাজমুল আলম ও নাজমুল আলমের স্ত্রীর ভাই আব্দুস সালাম। তবে বিচারে খালাস পান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি মাহবুবুল আলম সালেহী ও জাহাঙ্গীরের বাবা আজিমুদ্দিন মুন্সি।

পরবর্তীতে সাজাপ্রাপ্তরা উচ্চ আদালতে আপিল করেন। আপিল বিভাগ মিয়া মহিউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর আলমের রায় বহাল রাখলেও নাজমুল আলম ও নাজমুল আলমের স্ত্রীর ভাই আব্দুস সালামের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন সাজা দেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..