শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ

শেরপুরে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন 

মো: জুলহাস উদ্দিন হিরো, শেরপুর প্রতিনিধি।
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৩
 শেরপুর সদর উপজেলার ১১নং বলাইরচর ইউনিয়নের ১,২,৩নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য ফুলকুমারীর নাম জড়িয়ে মিথ‍্যা মামলা ও মানববন্ধন কর্মসূচির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। ২৭ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে কুসুমহাটি বাজারে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, মানববন্ধন ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করা করা হয়েছে বলে দাবি করেন ভূক্তভোগী ইউপি সদস্য ফুলকুমারী। এসময় তার বিরুদ্ধে করা মামলা, মানববন্ধন ও প্রকাশিত সংবাদ মিথ্যা উল্লেখ করে তার বিভিন্ন যুক্তি ও তথ্য প্রমাণ তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত ও মৌখিক বক্তব্যের মাধ্যমে ইউপি সদস্য ফুলকুমারী জানান, বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত, উপজেলা পর্যায়ে নির্বাহী অফিসারগণ উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রকল্প অনুযায়ী বাস্তবায়ন করেন ইজিপিপি প্রকল্প/কর্মসূচির মাটি কাটার কাজ। প্রকল্পে কাজ করা শ্রমিকদের বিকাশ নম্বরে বেতন দেন তারা। শ্রমিকদের অনুপস্থিত করা বা তাদের বেতন আটকানোর ক্ষমতা ইউপি সদস্যদের নেই। যারা প্রকল্পে কাজ করেছে তাদের টাকা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ইউপি সদস্য ফুলকুমারী আরো বলেন, গত তিন টার্ম আগে শিরীনা বেগম আমার প্রকল্পে শ্রমিক ছিল। সে বিকাশের মাধ্যমে তার কাজের বেতনও পেয়েছে। গত টার্মের তার নাম বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ। আমি বিষয়টি জানতাম না। যেহেতু সে ঐ টার্মে কয়েক দিন আমার প্রকল্পে কাজ করেছিল। তাই এলাকাবাসির চাপে আমি নিজে তাকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে তার বেতনের টাকা দেই। আমি বিষয়টি চেয়ারম্যান সহ কর্তৃপক্ষকে জানালে পরবর্তী তার জন‍্য আর কোন সুযোগ নেই বলে জানান। এইবারও প্রকল্পের শ্রমিক তালিকায় তার নাম না দেখে আমি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানালে চেয়ারম্যান তাকে ডেকে নিয়ে প্রকল্পে তাকে যেতে নিষেধ করেন। তার নাম লিষ্টে নাই। শ্রমিক তালিকার কোন ধরনের পরিবর্তন বা পরিবর্ধণ করার ক্ষমতা আমার কেন কোন ইউপি সদস্যের নেই।
এসময় ভূক্তভোগী ইউপি সদস্য আরো বলেন গত ২১ জুলাই শিরিনা বেগম তার ছেলে স্বামী সহ লোকজন নিয়ে  আমার বাড়িতে হামলা করে। আমি সহ আমার পরিবারের লোকজনকে লাঞ্ছিত করে। এসময় তার আমার ঘর থেকে দুটি মোবাইল ফোন, গলার চেইন ও নগদ ৮০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেই। উক্ত ঘটনায় আমি আদালতে মামলা দায়ের করেছি। আমাদের ডাক চিৎকারের আশেপাশের লোকজন তাদের দাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়। এসময় উৎসুক জনতা শিরিনা ধরে ফেলে এবং পরে তাকে ছেড়ে দেয়।
ইউপি সদস্য আরো বলেন একটি কুচক্রী মহলের প্রয়োচনায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও মানববন্ধন করে সংবাদ প্রকাশ করেছে। এতে আমার মান সম্মান ক্ষুণ্ন করেছে।
এ বিষয়ে সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ খবিরুজ্জামান খান বলেন, বলাইরচর ইউনিয়নের ইজিপিপি প্রকল্পে যে মহিলাটি নিজেকে শ্রমিক দাবি করেছে প্রকৃতপক্ষে ইজিপিপি প্রকল্পের লিষ্টে তার নাম পাওয়া যাইনি। তারপরেও আমি খতিয়ে দেখবো যদি পাওয়া যায় তারপর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..