দেশের রাজস্ব আদায়ের মধ্যে অন্যতম একটি আয়ের উৎস খনি সম্পদ তিতাস গ্যাস। এই গ্যাসকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ধরনের শিল্প প্রতিষ্ঠান রাজস্ব প্রদান করে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে ভূমিকা রেখে আসছেন এবং নিজেদের প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করে তারা নিজেরাও লাভবান হচ্ছেন। তবে কিছু অসাধু চক্র অবৈধভাবে তিতাস গ্যাস নিয়ে নিজেদের রান্নার কাজে ব্যবহার করছেন। এতে করে সরকার হারাচ্ছে মোটা অংকের রাজস্ব। বিষয়টি কর্তৃপক্ষ নজরে আসলে সোনারগাঁওয়ের ম্যানেজার বিক্রয়, এরশাদ উল্লাহ তার নেতৃত্বে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ কাজ চলমান রেখেছেন । তারেই ধারাবাহিকতায় গত ১৩/০৫/২০২৪ ইং অবৈধ তিতাস গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নকরন কাজ পরিচালনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট মৌসুমী আক্তার, সিনিয়র সহকারী কমিশনার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় নারায়ণগঞ্জ। আরো উপস্থিত ছিলেন ডিজিএম জেবিঅ সোনারগাঁও সুরুজ আলম ম্যানেজার বিক্রয় এরশাদ মাহমুদ । প্রকৌশলী (ডেপুটি) ম্যানেজার) মেঃ রিয়াজুল ইসলামসহ অন্যান্য তিতাস গ্যাস কর্মচারী। ধারাবাহিকভাবে
গতকালও মোবাইল টিম পরিচালনা করে সোনারগাঁও সাদিপুরের মিরেরটেক বাজার এবং নয়াপুর সম্মেলন মাঠ সংলগ্ন এলাকার ৪টি স্থান থেকে ৫ কিলোমিটার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। জানা যায় অবৈধ গ্যাস সংযোগে ১৫০০টি আবাসিক চুলা ব্যবহার করা হতো। এসময় উচ্ছেদ করা হয় ৩৫০ ফুট পাইপ। নিয়মিত এই গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ কাজে আজ ১৪/০৪/২০২৪ইং মোবাইল কোট পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন মৌসুমী আক্তার। এ সময় উপস্থিত ম্যাজিস্ট্রেট মৌসুমী আক্তার সূত্রে জানতে পারেন এলাকার একজন অবৈধ কাজে সহযোগিতা করেন বলে পরবর্তী তাকে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। এ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট মৌসুমী আক্তার বলেন এর সত্যতা সীকার না করা হলে আপনার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দেয়া হবে। চলমান নিয়ম ১৪মে ২০২৪ইং হাতুরাপাড়া এবং নয়াপুর মাঠ সংলগ্নে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। সংযোগ বিচ্ছিন্ন সংখ্যায় ৪টি স্পট ও ২টি নতুন স্পট। বিচ্ছিন্নকৃত এলাকায় ৫ কিলোমিটার অবৈধ সংযোগে আনুমানিক ২৪০০টি চুলা ছিল। এছাড়া উচ্ছেদকৃত ৩০০ ফিট পাইপ ছিল।
এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..