রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৮ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান ১১ দলের ঘোষিত ৫ সেপ্টেম্বরের চট্টগ্রামে লংমার্চ সফল করতে  উত্তর জেলা জামায়াতের  দায়িত্বশীল সমাবেশ। নেপালে আকস্মিক বন্যা–ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১৫৭, এখনো নিখোঁজ ৪০৩ জন গোয়ালন্দে যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন মান্নান হত্যা মামলায় সন্দেহভাজনদের নাম অন্তর্ভুক্ত না করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।  গোয়ালন্দে ঘরের ভেতর যুবককে গলা কে’টে হ’ত্যা ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা সদর নিয়ে আন্দোলন,  পাশে দাড়িয়েছেন সাবেক বিচারপতি ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী। জকসুর উদ্যোগে জবি মেডিকেল সেন্টারে যুক্ত হচ্ছে ১৩ আধুনিক যন্ত্র রাশিয়ার দুই আন্তর্জাতিক আয়োজনে পুতিনের আমন্ত্রণ পেলেন সাবেক জবি শিক্ষার্থী শিফা হালদা রক্ষায় আপস নয়, বালি-মাটি উত্তোলন বন্ধের হুঁশিয়ারি: এমপি সরোয়ার আলমগীর

রাঙ্গাবালীতে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল

বিশেষ প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
Oplus_16908288

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের চরহালিম লঞ্চঘাট এলাকায় মাদক সেবন ও ব্যবসাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় কয়েকজনের মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা দেয়।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে স্থানীয় ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল নেতা আকবর ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এছাহাককে একে অপরকে মাদক সেবন করাতে দেখা যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া আরেকটি ফুটেজে স্থানীয়ভাবে ‘গডফাদার’ হিসেবে পরিচিত স্বপন সিকদারকে গাঁজার কলকি তৈরি করে দিতে দেখা যায় তার কথিত ম্যানেজার আনিচ বয়াতিকে।
ভিডিওতে শোনা যায়, স্বপন সিকদার আনিচকে উদ্দেশ করে ‘পাতা দিতে’ বলছেন। পাশ থেকে আরেকজনকে বলতে শোনা যায়, “আনিচ, তোমার মামা তো ডেন্ডিও খায়।” এখানে ‘মামা’ সম্বোধন করা ব্যক্তিটি স্বপন সিকদার এবং ‘ভাগিনা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয় আনিচ বয়াতিকে।
ভিডিওতে থাকা কথোপকথনে আরও দাবি করা হয়, স্বপন সিকদার মাদক ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল অর্থের মালিক হয়েছেন। তার কথিত বক্তব্য অনুযায়ী, বাবার সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ১৩ লাখ টাকা দিয়ে তিনি ব্যবসা শুরু করেন এবং গত মৌসুমে অন্তত ১৫–২০ লাখ টাকা আয় করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বপন সিকদার, আকবর, এছাহাক ও আনিচ বয়াতিসহ আরও কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে। তবে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় মাদক সংক্রান্ত নানা অভিযোগ শোনা গেলেও দৃশ্যমান প্রমাণের অভাবে কেউ সরাসরি অভিযোগ করতে এগিয়ে আসেননি। ভাইরাল হওয়া ভিডিওর পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
স্থানীয়রা আরও জানান, স্বপন সিকদারকে এলাকায় ধান্দাবাজ ও প্রতারক স্বভাবের ব্যক্তি হিসেবে অনেকে চেনেন। নিজের স্বার্থ রক্ষায় তিনি কখনও আওয়ামী লীগ আবার কখনও বিএনপির পরিচয় ব্যবহার করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বর্তমান সময়ে তরুণ সমাজের একটি অংশ মাদকের ভয়াল গ্রাসে পড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। তাদের মতে, মাদকাসক্তি সমাজ, পরিবার ও জাতির জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। শিক্ষিত-অশিক্ষিত, নিম্নবিত্ত থেকে শুরু করে উচ্চবিত্ত পরিবারের অনেক তরুণও এই সর্বনাশা নেশায় জড়িয়ে পড়ছে।
এ অবস্থায় স্থানীয় জনগণ মাদক সেবন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..