রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান ১১ দলের ঘোষিত ৫ সেপ্টেম্বরের চট্টগ্রামে লংমার্চ সফল করতে  উত্তর জেলা জামায়াতের  দায়িত্বশীল সমাবেশ। নেপালে আকস্মিক বন্যা–ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১৫৭, এখনো নিখোঁজ ৪০৩ জন গোয়ালন্দে যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন মান্নান হত্যা মামলায় সন্দেহভাজনদের নাম অন্তর্ভুক্ত না করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।  গোয়ালন্দে ঘরের ভেতর যুবককে গলা কে’টে হ’ত্যা ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা সদর নিয়ে আন্দোলন,  পাশে দাড়িয়েছেন সাবেক বিচারপতি ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী। জকসুর উদ্যোগে জবি মেডিকেল সেন্টারে যুক্ত হচ্ছে ১৩ আধুনিক যন্ত্র রাশিয়ার দুই আন্তর্জাতিক আয়োজনে পুতিনের আমন্ত্রণ পেলেন সাবেক জবি শিক্ষার্থী শিফা হালদা রক্ষায় আপস নয়, বালি-মাটি উত্তোলন বন্ধের হুঁশিয়ারি: এমপি সরোয়ার আলমগীর

নিখোঁজের দুইদিন পর বাড়ির রান্নাঘর থেকে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ৪৩ ঘণ্টা পর এক স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শিশুটির নাম আয়েশা মনি (১১)। সে সালেহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী।

আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে রাঙ্গাবালী উপজেলার সদর ইউনিয়নের মাঝ নেতা গ্রামে আয়েশা মনির নিজ বাড়ির রান্নাঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আয়েশা ওই গ্রামের বাবুল প্যাদার মেয়ে। তার মা দীর্ঘ ১০ বছর ধরে প্রবাসে রয়েছেন। গত ২ জানুয়ারি আয়েশা নিখোঁজ হয়। পরদিন ৩ জানুয়ারি তার বাবা রাঙ্গাবালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজের পর থেকে স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। আজ দুপুরে পুলিশের উপস্থিতিতে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। পরে রান্নাঘরের পাশে বস্তাবন্দী অবস্থায় মরদেহ দেখতে পায় নিহত আয়েশার মামা। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরোধ করে আয়েশাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহত শিশুটির পরিবারে শোকের মাতম চলছে। শোকে অসুস্থ থাকায় আয়েশার বাবার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রতিবেশীরাও এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

রাঙ্গাবালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সেরাজুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার বিকেল থেকে শিশুটিকে পাওয়া যাচ্ছিল না। জিডির পর পুলিশ একটি টিম নিয়ে তদন্ত শুরু করে। আজ আমি নিজেও একটি টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই। যেহেতু মেয়েটি শিশু, তাই কোথাও নিজে থেকে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। এই বিষয়টি মাথায় রেখে বাড়ির আশপাশে তল্লাশি চালানো হয়। একপর্যায়ে রান্নাঘরের পাশে একটি বস্তা দেখতে পেয়ে মেয়ের মামা চিৎকার দেন। পরে বস্তা খুলে মরদেহ পাওয়া যায়।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শ্বাসরোধ করে আয়েশাকে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ঘটনার কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..