কুষ্টিয়ার খোকসা থানা পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানে চাঁদাবাজি, ডাকাতি, দস্যুতা, অস্ত্র, বিস্ফোরণ ও মারামারিসহ একাধিক গুরুতর মামলার পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী মো: পাপ্পু মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়। খোকসার ওসমানপুর এলাকার মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর ছেলে এই শীর্ষ সন্ত্রাসীর গ্রেপ্তারের সংবাদটি জাতীয় দৈনিক ‘সংগ্রাম প্রতিদিন সংবাদ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পরই খোকসার একটি কুচক্রী মহল নড়েচড়ে বসেছে। খোকসা থানাপাড়ার রুনু মিয়ার ছেলে নূর আলম পাপ্পু এই সফল পুলিশি অভিযান ও প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মেসেঞ্জার গ্রুপে নানা অবান্তর প্রশ্ন তুলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহল ও অনুসন্ধানে জানা গেছে, মূল সন্ত্রাসী পাপ্পু মিয়াকে গ্রেপ্তারের পর থানাপাড়ার নূর আলম পাপ্পু যেভাবে মেসেঞ্জার গ্রুপে নিউজ প্রকাশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং বিভিন্ন অজুহাতে বিষয়টিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করেছেন—তা থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, এই নুর আলম পাপ্পুর সাথে শীর্ষ সন্ত্রাসী পাপ্পুর গভীর যোগাযোগ ও গোপন সখ্যতা রয়েছে। মূলত সন্ত্রাসী পাপ্পু দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রের ছত্রছায়ায় ও সহযোগিতায় খোকসা এলাকায় নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। এখন পুলিশ প্রশাসন তাকে আটক করায় সেই সিন্ডিকেট আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে এবং নিজেদের রক্ষার্থে সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা ও পুলিশের অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপকৌশলে লিপ্ত হয়েছে।
মেসেঞ্জারের কথোপকথনে দেখা যায়, নূর আলম পাপ্পু পুলিশি অভিযান ও সংবাদ প্রকাশ নিয়ে অযৌক্তিক বিতর্ক তৈরি করার চেষ্টা করলেও, খোকসার সাধারণ মানুষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের এই অপপ্রচারে কান দিচ্ছে না।
এলাকাবাসী ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা এই ধরনের অপরাধী ও তাদের দোসরদের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ডজন মামলার এজাহারনামীয় একজন শীর্ষ সন্ত্রাসীকে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ বলা নিয়ে যারা প্রশ্ন তোলে, তারা মূলত অপরাধের পক্ষ নেয়। এলাকার সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আইনের শাসন বজায় রাখতে খোকসা থানা পুলিশের এই বিশেষ অভিযানকে খোকসাবাসী সাধুবাদ জানিয়েছেন। সেই সাথে অপরাধীদের রক্ষায় যারা সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যম কর্মীরা
এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..