বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
ড. ইউনূসকে হেনস্তার দায় খলিলুরকে নিতে হবে: নাহিদ খোকসায় বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৭, মাদকসেবীদের কারাদণ্ড নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় ব্যবস্থা নেবে সরকার লোহাগড়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমুলক সভা খোকসায় গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মিন্টু গ্রেফতার গরুর মাংসের দাম ২৫০ টাকা করার দাবি, সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ শিল্পকলা একাডেমির সামনে থেকে আয়াসসহ আটক ৪ কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী জান্নাতুল হত্যা মামলায় চট্টগ্রাম থেকে সুমন আটক নড়াইলে ১৭ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি আটক  জবির দ্বিতীয় সমাবর্তনের রেজিস্ট্রেশন শুরু, অংশ নিতে পারবেন যেসব গ্র্যাজুয়েট

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুদকের অভিযান, ডাঃ রেজওয়ানা রশীদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

বিল্লাল হোসেন কালীগঞ্জ গাজীপুর প্রতিনিধিঃ
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুদকের অভিযান, ডাঃ রেজওয়ানা রশীদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২৫শে আগস্ট) দুপুরে কালীগঞ্জ পৌর এলাকার কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অফিসে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের গাজীপুরের সহকারী পরিচালক এনামুল হক এর নেতৃত্বে ৪ সদস্যর একটি টিম এ অভিযান চালায়। অভিযানে হাসপাতালের কর্মকর্তা, কর্মচারী নিয়মিত অফিস না করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। নার্স, ডাক্তারের বাথরুম পরিস্কার পাওয়া গেলেও রোগীদের বাথরুম অপরিস্কার পাওয়া গেছে। এন্টিবায়োটিক ওষুধের তালিকা রেজিস্ট্রারে নাই। অফিস কর্মকর্তা, কর্মচারীরা নিয়মিত হাসপাতালে আসেননা। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন সকাল থেকেই ছদ্মবেশে কাজ করছিলেন। পরে দুপুরে তারা অভিযান পরিচালনা করেন। বাজারে ওষুধ বিক্রিকরাসহ নানা অনিয়ম চোখে পড়ে দুদকের। অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক এনামুল হক বলেন, মূলত বেশ কয়েকটি অভিযোগের বিষয়ে আমরা অভিযান পরিচালনা করে যাচাই করে দেখলাম, রোগীরা ঠিকমত ওষুধ পাচ্ছে না। জরুরী বিভাগে কোন রোগী সেলাই বা ব্যান্ডেজ করলে তাদের কাছ থেকে জোর করে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত রাখা হয়। একজনে যে পরিমাণ খাবার পাওয়ার কথা তার অর্ধেকও পাচ্ছে না। ৮ থেকে ১০ মাস যাবৎ রোগীদের শুধুমাত্র বয়লার মুরগি খাওয়ানো হচ্ছে। ৫০ জন রোগীর জন্য প্রায় ১০ কেজি পরিমাণ মাংস থাকার কথা সেখানে আমরা পরিমাপ করে জুল সহ ৪ কেজির মত পেয়েছি। টেন্ডারের কাগজ দেখাতে চাইলে তারা দেখায়নি।

অফিস হিসাব রক্ষক অফিসারের অনুপস্থিতির অজুহাত দেখিয়ে এসব কাগজ দেখাতে রাজি হয়নি। তিনি আরও বলেন, সরকারি ওষুধ না থাকার অজুহাত দেখিয়ে বাজার থেকে ওষুধ ক্রয় করতে বাধ্য করা হয়। এছাড়া হাসপাতাল থেকে কর্মকর্তা, কর্মচারী যখন বের হন তারা বায়োমেট্রিক ব্যবহার করেননা। এতে করে কে কয়টায় বের হয় তার কোন হিসাব নাই। আমরা অনেক অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছি। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দেবো। দুদকের অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রেজওয়ানা রশীদ, স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী প্রমুখ।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..