রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান ১১ দলের ঘোষিত ৫ সেপ্টেম্বরের চট্টগ্রামে লংমার্চ সফল করতে  উত্তর জেলা জামায়াতের  দায়িত্বশীল সমাবেশ। নেপালে আকস্মিক বন্যা–ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১৫৭, এখনো নিখোঁজ ৪০৩ জন গোয়ালন্দে যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন মান্নান হত্যা মামলায় সন্দেহভাজনদের নাম অন্তর্ভুক্ত না করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।  গোয়ালন্দে ঘরের ভেতর যুবককে গলা কে’টে হ’ত্যা ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা সদর নিয়ে আন্দোলন,  পাশে দাড়িয়েছেন সাবেক বিচারপতি ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী। জকসুর উদ্যোগে জবি মেডিকেল সেন্টারে যুক্ত হচ্ছে ১৩ আধুনিক যন্ত্র রাশিয়ার দুই আন্তর্জাতিক আয়োজনে পুতিনের আমন্ত্রণ পেলেন সাবেক জবি শিক্ষার্থী শিফা হালদা রক্ষায় আপস নয়, বালি-মাটি উত্তোলন বন্ধের হুঁশিয়ারি: এমপি সরোয়ার আলমগীর

নামের আগে কারা ডাক্তার পদবি ব্যবহার করতে পারবে, জানালেন হাইকোর্ট

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫

এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া ডিপ্লোমা সনদধারীরা কেউ নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি লিখতে পারবেন না।

বুধবার (১২ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি সাথীকা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

এতদিন এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রি ছাড়া যারা ডাক্তার পদবি ব্যবহার করেছে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। তবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) থেকে আইন ভঙ্গ করে কেউ ডাক্তার পদবি ব্যবহার করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে, ন্যূনতম এমবিবিএস অথবা বিডিএস ডিগ্রিপ্রাপ্ত ছাড়া অন্য কেউ তাদের নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না, মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইনের এমন বিধান প্রশ্নে রুলের ওপর শুনানি শেষ হয়। ‘ডিএমএফ’ ডিগ্রিধারীদের নামের আগে ডাক্তার ব্যবহারকে কেন্দ্র করে আইনটির বৈষম্যমূলক প্রয়োগ নিয়ে এক যুগ আগে করা অপর রিটেরও শুনানি শেষে হয়েছে।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি পৃথক দুটি রিটের ওপর একসঙ্গে শুনানি শেষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট একই বেঞ্চ রায়ের জন্য আজ ১২ মার্চ দিন ধার্য করেন।

মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী ভুয়া পদবী ব্যবহার নিষিদ্ধ। এই আইনের ২৯ (১) অনুযায়ী, ন্যূনতম এমবিবিএস অথবা বিডিএস ডিগ্রি প্রাপ্তগণ ব্যতিত অন্য কেউ তাদের নামের পূর্বে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না।

২৯ (২) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করলে উক্ত লংঘন হবে একটি অপরাধ, এবং সেজন্য তিনি ৩ (তিন) বছর কারাদণ্ড বা ১ (এক) লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং উক্ত অপরাধ অব্যাহত থাকলে প্রত্যেকবার উহার পুনরাবৃত্তির জন্য অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে, বর্ণিত দণ্ডের অতিরিক্ত হিসেবে দণ্ডনীয় হবেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..