রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান ১১ দলের ঘোষিত ৫ সেপ্টেম্বরের চট্টগ্রামে লংমার্চ সফল করতে  উত্তর জেলা জামায়াতের  দায়িত্বশীল সমাবেশ। নেপালে আকস্মিক বন্যা–ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১৫৭, এখনো নিখোঁজ ৪০৩ জন গোয়ালন্দে যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন মান্নান হত্যা মামলায় সন্দেহভাজনদের নাম অন্তর্ভুক্ত না করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।  গোয়ালন্দে ঘরের ভেতর যুবককে গলা কে’টে হ’ত্যা ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা সদর নিয়ে আন্দোলন,  পাশে দাড়িয়েছেন সাবেক বিচারপতি ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী। জকসুর উদ্যোগে জবি মেডিকেল সেন্টারে যুক্ত হচ্ছে ১৩ আধুনিক যন্ত্র রাশিয়ার দুই আন্তর্জাতিক আয়োজনে পুতিনের আমন্ত্রণ পেলেন সাবেক জবি শিক্ষার্থী শিফা হালদা রক্ষায় আপস নয়, বালি-মাটি উত্তোলন বন্ধের হুঁশিয়ারি: এমপি সরোয়ার আলমগীর

সেমিস্টার ফি দিতে বিড়ম্বনায় জবি শিক্ষার্থীরা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০২১

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা ১০ আগস্ট নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। অনলাইনে ২৯ জুনের মধ্যে পরবর্তী সেমিস্টারে ভর্তি ফি এবং পরীক্ষার ফরম পূরণের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। তবে ভর্তি ফি জমা দেয়ার একমাত্র মাধ্যম শিউর ক্যাশ এজেন্ট খুঁজে পাচ্ছে না ঢাকার বাইরে নিজ নিজ এলাকায় অবস্থানরত অধিকাংশ শিক্ষার্থী। ফলে ভর্তি ফি দিতে করতে শিক্ষার্থীরা বিড়ম্বনায় পড়ছেন।

করোনা পরিস্থতিতে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছেন। তবে অনলাইনে শিওর ক্যাশের মাধ্যমে নেয়া হচ্ছে ভর্তি ও পরীক্ষা ফি। গ্রামাঞ্চলে বিকাশ, রকেট, নগদ এজেন্ট সহজে পাওয়া গেলেও শিওরক্যাশ এজেন্ট পাওয়া যায় না। ফলে এসব ফি দিতে ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা। এদিকে পহেলা এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে নগদের চুক্তি সম্পন্ন হলেও এখনও ফি নেয়া শুরু হয়নি। যার ফলে শিক্ষার্থীদের শিওর ক্যাশের মাধ্যমেই ফি দিতে হচ্ছে।

গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন, আমি অনেক দোকানে গিয়েও পেমেন্ট করতে পারিনি, শেষে ঢাকায় এক বন্ধুকে বিকাশে টাকা পাঠিয়ে পেমেন্ট করতে হয়েছে।

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী শাওন বলেন, শুনেছি নগদের মাধ্যমে বিল পে করতে পারবো কিন্তু নগদের মাধ্যমে বিল পেমেন্টে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নামেই নাই।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানা ইয়াসমিন জীবন বলেন, করোনাকালীন সময় হতে গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছি, কিন্তু সেকেন্ড সেমিস্টারে ভর্তি দিতে উপজেলা পর্যায়ের অনেক দোকানে ঘুরেও শিওরক্যাশ এজেন্ট পাইনি আমার পেমেন্ট টি করতে।

এ বিষয়ে অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক ড. কাজী নাসির উদ্দিন বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, আমাদের সাথে নগদের চুক্তি হয়ে গেছে। এখন আইটি দপ্তরের কিছু কাজ আছে, সেগুলো সম্পন্ন হলে নগদের মাধ্যমে বেতন, পরীক্ষার ফিসহ অন্যান্য পরিশোধযোগ্য ফি দেওয়া যাবে৷ এখন শিওরক্যাশ এর মাধ্যমে ফি নেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা কবে থেকে ফি দিতে পারবে তা জানতে চাইলে আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার আচার্য্য বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে কাজ মোটামুটি কমপ্লিট, এখন নগদের কিছু কাজ বাকি আছে, তাদের কাজ শেষ হলে বলতে পারবো কবে থেকে শিক্ষার্থীরা ফি দিতে পারবে।

এ বিষয়ে কথা বলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদের সাথে একাধিকবার ফোন দিয়ে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

 

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..