২৮ নভেম্বর বাদ মাগরিব মির্জাপুর রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে প্রয়াত সাংবাদিক হোসনি জুবাইরির আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়।
হোসনি জুবাইরি মির্জাপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক ছিলেন। এছাড়াও তিনি সাপ্তাহিক “বারবেলা”, “মাসিক চন্দ্রবিন্দু”পত্রিকা ও দৈনিক নিউজ ডট কম এর সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন। ২৩ নভেম্বর রাতে মহান আল্লাহর ডাকে সাঁড়া দিয়ে তিনি পরপারে চলে যান।
শোকসভায় মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারেক আজিজ, মির্জাপুর কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সালাউদ্দিন বাবর, সাবেক সাংসদ ও বর্তমান বিএনপি মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, এডভোকেট আব্দুর রউফ সহ মির্জাপুর রিপোর্টার্স ইউনিটি, মির্জাপুর প্রেসক্লাব, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, মির্জাপুর সাংবাদিক সংস্থার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে হোসনি জুবাইরির রুহের মাগফেরাত কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করা হয়।
হোসনি জুবাইরি শুধুমাত্র একজন সাংবাদিকই ছিলেন না সর্বোপরি তিনি ছিলেন একজন ভালো মানুষ। সৎ ,ন্যায়পরায়ণ ও পরোপকারী মানুষ হিসেবে তিনি সকল ধর্ম, বর্ণ, গোত্রের মানুষের মনে একচ্ছত্রভাবে জায়গা করে নিয়েছিলেন।সহজ -সরল সদা হাস্যোজ্জ্বল হোসনি জুবাইরি দেখা হলেই হাসি মাখা কন্ঠে বলতেন, ভাই কেমন আছেন। একজন ভালো মানুষ হিসেবে মির্জাপুরের বুকে ছিল তার অবাধ বিচরণ। গ্রামের বাড়িতে তিনি একাধারে স্কুল, মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। তিনি আজ আর আমাদের মাঝে নেই। এ কথা ভাবতেই বুকটা কেমন চিনচিন করে ওঠে, অশ্রু সজল হয় দূ’চোখ। মৃত্যুর সময় তিনি একমাত্র কন্যা সন্তান, অসুস্থ বাবা মা সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তার এ অকালে চলে যাওয়াটা আমরা ঠিক মেনে নিতে পারছি না। জীবন মৃত্যু নিয়তির বিধান আমাদের তো কিছু করার নেই। না আমাদের অবশ্যই কিছু করার আছে। দৃশ্যত জুবাইরি নেই কিন্তু জুবাইরি আছে আমাদের মনের মাঝে, আমাদের অন্তরে। থাকবে চিরকাল, আমরা জুবাইরিকে ভুলবো না।
পরিশেষে জীবন মৃত্যুর মালিক যিনি তাঁর কাছে আমার আকুল আবেদন, হোসনি জুবাইরিকে আল্লাহ আপনি করুন জান্নাতুল ফেরদাউস দান।