পর্যটন স্থান হিসেবে জনপ্রিয় হচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ার বেলতলা সেচ প্রকল্পটি। পর্যটনের অপার সম্ভাবনার দুয়ার নিয়ে বসে আছে শুক নদীর ওপর নির্মিত রুহিয়ার বেলতলা সেচ প্রকল্প।
বর্তমানে বেলতলা সেচ প্রকল্পটি একটি দর্শনীয় স্থান ও পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে শুরু করেছে ।
প্রকল্প এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে প্রতিনিয়ত দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত থাকে সেচ প্রকল্পটি। বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় হয়। ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ার ২১ নং ঢোলারহাট এলাকায় ১৩ শত হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা দিতে স্থাপন করা হয়েছে এই সম্পূরক সেচ প্রকল্পটি। প্রকল্পটির কাজ পরিপূর্ণ সমাপ্তি না হতেই দুর দূরান্ত থেকে শত শত ভ্রমণপিপাশুর মিলন মেলা।
বেলতলা সম্মিলিত প্রকল্পটি
২০২৩-২৪ অর্থবছরে শুরু হয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই সেচ প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ হয়। ফলে ১৩ শত হেক্টর এলাকায় সেচ সুবিধা এবং ১৪ শত হেক্টর এলাকা সম্পূরক সেচ সুবিধার আওতায় আসে। বেলতলা সেচ প্রকল্প ঘিরে গত দুই মাসে গড়ে ওঠে বিনোদন ও পিকনিক স্পট।
দুর দুরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা জানায় আমরা ফেসবুক থেকে জানতে পেরেছি যে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ঢোলারহাট ইউনিয়নের বেলতলা সেচ প্রকল্পটি দৃষ্টিনন্দন তাই আমারা দেখতে আসছি, তবে অনেক সুন্দর লাগছে।
বেলতলা সেচ প্রকল্প পরিচালনা পর্ষদ এর সভাপতি মোঃ আমিনুল হক জানান, দর্শনার্থীদের জন্য ছাতা ও বৈঠকখানা নির্মাণ করাসহ এটিকে আরো আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থান হিসেবে ঢেলে সাজাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করলে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে এর আকর্ষণ বেড়ে যাবে।
রুহিয়া থানা বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল জব্বার বলেন বেলতলা সেচ প্রকল্পে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে শতশত দর্শনার্থী আসে নিসন্দেহে ভালো দিক কারণ এতে করে স্থানীয় উন্নয়ন ঘটবে।
রুহিয়া থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মজাহারুল
ইসলাম বাদল বলেন,
পানি উন্নয়ন বোর্ড ঠাকুরগাঁও এর নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম যাকারিয়া সুমন বলেন, বেলতলা সম্মিলিত পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামোটি মূলত সেচ সুবিধার জন্য নির্মিত, তিনি বলেন এই সেচ প্রকল্প থেকে ঐ এলাকায় ১৩ শত হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা পাবে। তবে সেচ সুবিধার পাশাপাশি প্রকল্পটি বিনোদনের জন্য দর্শনার্থীদের আগমন হচ্ছে। তিনি আরও বলেন ঐ এলাকাটিকে যেমন সেচ প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে তেমনি একটি দর্শনীয় স্থান হওয়ায় এলাকা উন্নয়ন হবে বলে আমি আশা করি।