মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নড়াইল সদরে দ্বিমুখী ও লোহাগড়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে লড়াই হবে ত্রিমুখী বাগেরহাটে মোরেলগঞ্জে জীবনের ঝুৃঁকি নিয়ে ভাঙা কাঠের পুল দিয়ে পার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। চা শ্রমিক দিবস,মুল্লুকে চলো আন্দোলনের ১০৩ বছর। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ভিত্তিহীন – মাশরাফী কুকুরের দল তাকে একা পেয়ে কামড়ে ছিন্নভিন্ন করে ফেলে বাগেরহাটের শরণখোলায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীরির আত্মহত্যা সিংড়ায় ভোক্তা-অধিকারের অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান কে জরিমানা  সাতক্ষীরার তালায় ট্রাক উল্টে ২ শ্রমিক নিহত আহত ১১   বাগেরহাটের রামপালে লায়ন ড.শেখ ফরিদুল ইসলামের উদ্যোগে চোখের ছানি অপারেশন ও লেন্স সংযোজন ৫০০ রোগী বাছাই লোহাগড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী কে এম ফয়জুল হক রোমের নির্বাচনী অফিস ভাংচুর ও পোষ্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ 

নিজেকে প্রমাণ করে ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রিতে পিজু এখন ফাইনালে।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৩

মোসলেহ্ চৌধুরী পিজু চট্টগ্রামের রাউজানের “জানালী চৌধুরী বাড়ীর” একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। যার পরিবারে সংগীতের ইতিহাস টা প্রায় অনেক পুরানো, যা কিনা বংশ পরম্পরায় বিস্তার লাভ করে আসছে। তাছাড়া তার বড় জেঠা “বখতিয়ার উদ্দিন ” একজন নজরুল সংগীত শিল্পী। তার মেঝ জেঠা “বেদার উদ্দিন ও পিতা ” জসিম উদ্দিন” অভিনয় শিল্পী ছিলেন। তাদের রাউজানস্ত জমিদার বাড়ীর কাচারীতেই একসময় জারি-সারী গানের আসর বসতো যা আস্তে আস্তে প্রাশ্চ্যাত্যের দিকে মোড় নেয় চাচা “ইমতিয়াজ উদ্দিন বাচ্চুর ” হাত ধরে। যাকে দেখে তার নিজের ছোট দুই ভাই “সাচ্চু এবং সোহেল” সহ বৃহত্তর ডি,সি,রোডস্ত যুবকেরা ও পিছিয়ে ছিলেন না। আড়াল থেকে লুকিয়ে চাচা বাচ্চুর গীটার বাজানো দেখে “সাচ্চু ও সোহেল” ও গীটার বাজানোটা রপ্ত করে নিলেন। যার প্রেক্ষিতে সাচ্চু বাজিয়েছিলেন এলআরবি এর মতো লিজেন্ডারি ব্যান্ডে এবং প্রায় ২৫০০ এর মতো গীটারিস্ট তৈরী করেছেন চট্টগ্রাম সহ পুরা বাংলাদেশে। সাচ্চু কে বাংলাদেশের ব্যান্ড মিউজিকের একজন অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং চাচা সোহেল ও বাজিয়েছেন বাংলাদেশের ব্যান্ড মিউজিকের ইতিহাস-ঐতিহ্যের ধারক বাহক ব্যান্ড সোল্সএ এবং কাজ করেছেন দেশের সনামধন্য অনেক অনেক সংগীত পরিচালকের সাথে। ইন্ডাস্ট্রিতে চাচা ইফতি সোহেলের হাজার হাজার গান বাজানো। সেই ধারায় পিজু নিজের লেখা ও সুর করা বেশ ভালো কিছু গান দিয়ে পরিচিত হয়েছেন তার ২০ বছরের সংগীত জীবনে, এবং বেশ কিছু গান দর্শক সমাদৃত ও হয়েছে। মিউজিকের জন্য সে চট্টগ্রাম ছেড়ে ঢাকায় এসে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লড়াই করছে বিগত দশ বছর যাবৎ। অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়েছে, মিউজিকের খেদমতে সঁপে দিয়েছে তার জীবন। বর্তমানে সে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রতিভা অন্বেষণের গানের প্রতিযোগীতা “ঐক্য.কম চ্যানেল আই সেরাকন্ঠ ২০২৩” এর একজন ফাইনালিস্ট হিসেবে লড়ছেন ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে। প্রতি বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সন্ধ্যা ৭.৫০ মিনিটে চ্যানেল আইয়ের পর্দায় প্রচারিত হয় অনুষ্ঠান টি। প্রথম থেকেই সে বিচারকের নজর কেড়ে আসছিলো দারুণ সব গানের সুরে এবং অন্যরকম ভোকালের কারণে। গ্র্যান্ড অডিশনে গেয়েছিলো সে সোলসের বিখ্যাত গান “ফরেস্ট হিলের এক দুপুরে, তার পর গেয়েছিলো ” প্রিন্স মাহমুদের লেখা সুরে ও খালিদের (চাইম) গাওয়া “আবার দেখা হবে”, গানটি গেয়ে দর্শক সমাদৃত হয়। তারপর “পিজু” গেয়েছিলো “Lrb ব্যান্ডের” প্রথম গান “ঘুম ভাঙ্গা শহরে” তারপর সে দারুণ ভাবে গায় বাংলাদেশের আধুনিক ব্যান্ড “আর্কের” জনপ্রিয় ও বিখ্যাত গান “সুইটি” গানটি। কিন্তু সেই রাউন্ডেই সে “ডেইন্জার জোনে” পরে যায়। তারপর কোয়ার্টার ফাইনালে মনপুরা ছবির “নিথুয়া পাথারে” গানটি গেয়ে “পিজু” সেমিফাইনালে এসে এতটুকু আশা ছবি থেকে “আব্দুল জাব্বারের গাওয়া “তুমি কি দেখেছো কভু গানটি গায়! কিন্তু তাঁর বাঁধা যেন তখনো কাটছিলোনা। তবে শেষমেষ “জাজেস চয়েজে ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি” নিয়ে “পিজু” ফাইনালে চলে আসে গানের কঠিন লড়াই করে। ফাইনালে এসে ও সে “এন্ড্রু কিশোরের” বিখ্যাত গান “হায়রে মানুষ রঙ্গীন ফানুশ” গানটি পরিবেশন করে। প্রি-গালা রাউন্ডে সে Souls ব্যান্ডের রি-এ্যারেইন্জম্যান্টে “সাগরের ঐ প্রান্তরে” গানটি পরিবেশন করে। ঐক্য.কম চ্যানেল আই সেরা কন্ঠ সপ্তম আসরে প্রাধন দুই বিচারক ছিলেন, কিংবদন্তী রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী “রিজওয়ানা চৌধুরী বন্য” ও দেশ বরেণ্য আধুনিক গানের অগ্রগামী ও কিংবদন্তী শিল্পী “সামিনা চৌধুরী” এবং বিশেষ বিচারক হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশকে যিনি বিশ্বের বুকে তার গানের মাধ্যমে নতুন পরিচয় দিয়েছেন! জীবন্ত কিংবদন্তী “রুনা লায়লা” এবং পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনার গুরু দায়িত্বে ছিলেন অন্যতম প্রতিভাধর পরিচালক “ইজাজ খাঁন স্বপন”। এই বারের সেরাকন্ঠের ফিন্যালে সাজতে যাচ্ছে নতুন সাজে যুক্তরাষ্ট্রের, ফ্লোরিডার বুকে। আগামী ডিসেম্বর এর ৯তারিখ গ্র্যান্ড ফিন্যালে হওয়ার কথা রয়েছে সেখানে। চট্টগ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত সংগীত পরিবারের ছেলে হয়ে ঢাকা সহ পৃথিবী জয় করতে সচেষ্ট পিজু, যেটা কিনা আমাদের পুরো বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় একটি গর্বের বিষয়। তাছাড়াও তার ব্যান্ড ট্রাফিক সিগন্যাল ও বেশ সাড়া জাগানো একটি দল। যে চট্টগ্রাম থেকে লাকী আকন্দ, হ্যাপী আকন্দ, নকীব খাঁন, আইয়ুব বাচ্চু, কুমার বিশ্বজিৎ, পার্থ বড়ুয়া সহ আরো অনেক লিজেন্ডদের পেয়েছে। আমরা দেশবাসীরা ও “পিজুর” উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি এবং আমরা আশা করি “পিজু” তার সুরের জাদুতে একদিন পথিকৃৎদের মতো বাংলাদেশের সংগীতের মর্যাদাকে সমুন্নত রাখবেন পৃথিবী জুড়ে।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..