মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
দেশে সব সয়াবিন তেলেই ক্ষতিকারক মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। ​খোকসায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সাপ্তাহিক পেঁয়াজের হাট: তীব্র যানজটে চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা নরসিংদীতে প্রবীণদের সহায়তায় সমঝোতা ফলোআপ সভা অনুষ্ঠিত আম্মার ও ছাত্রশিবির নেতাদের মারধরে আহত ২ শিক্ষার্থীকেই গ্রেপ্তার করল পুলিশ সরাইলে ৩ মাসের মাথায়ই বেহাল সড়ক: সংস্কারে গাফিলতি। দৌলতপুরে জমি নিয়ে বিরোধ: দখলচেষ্টা, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উত্তর ফটিকছড়িতে ৪৮ ঘন্টার হরতালের দ্বিতীয় দিনে ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিবাদ। খোকসা বাসস্ট্যান্ডে গণশৌচাগার নেই: চরম দুর্ভোগে যাত্রী ও পথচারীরা সংবিধান মেনেই যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে মির্জা ফখরুল সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারের মতো কিছু দেখছি না’

দেশে সব সয়াবিন তেলেই ক্ষতিকারক মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।

সংগ্রাম প্রতিদিন ডেস্ক :
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
Oplus_16908288

বাংলাদেশের বাজারে খোলা ও বোতলজাত-উভয় ধরনের সয়াবিন তেলে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের একদল গবেষকের পরীক্ষায় ৬০টি নমুনার সবগুলোতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক মিলেছে।

ঢাকার কয়েকটি এলাকা থেকে সংগ্রহ করা ৬০টি নমুনার প্রতি লিটারে গড়ে ৫৩ হাজার ৯২২টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে।

বিশ্বখ্যাত ‘জার্নাল অব ফুড কম্পোজিশন এন্ড অ্যানালাইসিস’-এ গত এপ্রিল মাসে এ গবেষণা রিপোর্ট প্রকাশ হয়। গবেষণায় সয়াবিন তেলে ছয় ধরনের মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া নেদারল্যান্ডসভিত্তিক আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এলসেভিয়ার (Elsevier) এই গবেষণা প্রকাশ করেছে।

গবেষণায় প্রতিটি নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে। তবে বোতলজাত সয়াবিন তেলের তুলনায় খোলা সয়াবিনে মাইক্রোপ্লাস্টিকের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি দেখা গেছে। এতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি ছাড়াও এর বৈশিষ্ট্য এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কেও তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়।

গবেষণায় প্রতিটি নমুনায় ছয় ধরনের প্লাস্টিক পলিমারের উপস্থিতি মিলেছে। এর মধ্যে রয়েছে লো-ডেনসিটি পলিইথিলিন (এলডিপিই), হাই-ডেনসিটি পলিইথিলিন (এইচডিপিই), পলিপ্রোপিলিন (পিপি), পলিইথিলিন টেরেফথালেট (পিইটিই), পলিইউরেথেন (পিইউ) ও নাইলন।

গবেষকদের মতে, খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে মানবদেহে এসব ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার প্রবেশ দীর্ঘমেয়াদে উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

গবেষণাপত্রটি ২০২৫ সালের আগস্টে জমা দেওয়া হয়। পর্যালোচনা শেষে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তা গৃহীত হয়। একই মাসে এটি অনলাইনে প্রকাশিত হয়। পরে তা ২০২৬ সালের এপ্রিল সংখ্যায় স্থান পায়।

গবেষকরা রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সুপারশপ থেকে তিনটি ব্র্যান্ডের সয়াবিন তেল এবং ক্যান্টনমেন্ট, উত্তরা ও তেজগাঁও এলাকার খোলা বাজার থেকে তিন ধরনের নন-ব্র্যান্ডেড সয়াবিন তেলের নমুনা সংগ্রহ করেন। মোট ৬০টি নমুনা আধুনিক পরীক্ষাগার প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি লিটার সয়াবিন তেলে গড়ে ৫৩ হাজার ৯২২টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা রয়েছে। ব্র্যান্ডেড তেলে গড়ে ৪৮ হাজার ৬৭টি এবং নন-ব্র্যান্ডেড তেলে ৫৯ হাজার ৭৭৮টি কণার উপস্থিত পাওয়া গেছে। অর্থাৎ নন-ব্র্যান্ডেড তেলে মাইক্রোপ্লাস্টিকের পরিমাণ ব্র্যান্ডেড তেলের তুলনায় প্রায় এক-চতুর্থাংশ বেশি।

গবেষকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, তেজগাঁও থেকে সংগ্রহ করা নন-ব্র্যান্ডেড তেলের নমুনায় সর্বোচ্চ পরিমাণ দূষণ পাওয়া গেছে। তাদের ধারণা, শিল্পাঞ্চল এলাকার পরিবেশ, পুনর্ব্যবহৃত প্লাস্টিকের পাত্রে তেল সংরক্ষণ, খোলা অবস্থায় বিক্রি এবং অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্যবিধি এই দূষণের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।

অন্যদিকে ব্র্যান্ডেড তেলেও মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যাওয়ায় গবেষকদের ধারণা, উৎপাদন, পরিশোধন, প্যাকেজিং কিংবা পরিবহনের বিভিন্ন ধাপেও প্লাস্টিক কণা তেলের সঙ্গে মিশে যেতে পারে।

বাংলাদেশের বাজারে খোলা ও বোতলজাত-উভয় ধরনের সয়াবিন তেলে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের একদল গবেষকের পরীক্ষায় ৬০টি নমুনার সবগুলোতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক মিলেছে।

ঢাকার কয়েকটি এলাকা থেকে সংগ্রহ করা ৬০টি নমুনার প্রতি লিটারে গড়ে ৫৩ হাজার ৯২২টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে।

বিশ্বখ্যাত ‘জার্নাল অব ফুড কম্পোজিশন এন্ড অ্যানালাইসিস’-এ গত এপ্রিল মাসে এ গবেষণা রিপোর্ট প্রকাশ হয়। গবেষণায় সয়াবিন তেলে ছয় ধরনের মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া নেদারল্যান্ডসভিত্তিক আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এলসেভিয়ার (Elsevier) এই গবেষণা প্রকাশ করেছে।

গবেষণায় প্রতিটি নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে। তবে বোতলজাত সয়াবিন তেলের তুলনায় খোলা সয়াবিনে মাইক্রোপ্লাস্টিকের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি দেখা গেছে। এতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি ছাড়াও এর বৈশিষ্ট্য এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কেও তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়।

গবেষণায় প্রতিটি নমুনায় ছয় ধরনের প্লাস্টিক পলিমারের উপস্থিতি মিলেছে। এর মধ্যে রয়েছে লো-ডেনসিটি পলিইথিলিন (এলডিপিই), হাই-ডেনসিটি পলিইথিলিন (এইচডিপিই), পলিপ্রোপিলিন (পিপি), পলিইথিলিন টেরেফথালেট (পিইটিই), পলিইউরেথেন (পিইউ) ও নাইলন।

গবেষকদের মতে, খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে মানবদেহে এসব ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার প্রবেশ দীর্ঘমেয়াদে উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

গবেষণাপত্রটি ২০২৫ সালের আগস্টে জমা দেওয়া হয়। পর্যালোচনা শেষে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তা গৃহীত হয়। একই মাসে এটি অনলাইনে প্রকাশিত হয়। পরে তা ২০২৬ সালের এপ্রিল সংখ্যায় স্থান পায়।

গবেষকরা রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সুপারশপ থেকে তিনটি ব্র্যান্ডের সয়াবিন তেল এবং ক্যান্টনমেন্ট, উত্তরা ও তেজগাঁও এলাকার খোলা বাজার থেকে তিন ধরনের নন-ব্র্যান্ডেড সয়াবিন তেলের নমুনা সংগ্রহ করেন। মোট ৬০টি নমুনা আধুনিক পরীক্ষাগার প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি লিটার সয়াবিন তেলে গড়ে ৫৩ হাজার ৯২২টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা রয়েছে। ব্র্যান্ডেড তেলে গড়ে ৪৮ হাজার ৬৭টি এবং নন-ব্র্যান্ডেড তেলে ৫৯ হাজার ৭৭৮টি কণার উপস্থিত পাওয়া গেছে। অর্থাৎ নন-ব্র্যান্ডেড তেলে মাইক্রোপ্লাস্টিকের পরিমাণ ব্র্যান্ডেড তেলের তুলনায় প্রায় এক-চতুর্থাংশ বেশি।

গবেষকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, তেজগাঁও থেকে সংগ্রহ করা নন-ব্র্যান্ডেড তেলের নমুনায় সর্বোচ্চ পরিমাণ দূষণ পাওয়া গেছে। তাদের ধারণা, শিল্পাঞ্চল এলাকার পরিবেশ, পুনর্ব্যবহৃত প্লাস্টিকের পাত্রে তেল সংরক্ষণ, খোলা অবস্থায় বিক্রি এবং অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্যবিধি এই দূষণের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। অন্যদিকে ব্র্যান্ডেড তেলেও মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যাওয়ায় গবেষকদের ধারণা, উৎপাদন, পরিশোধন, প্যাকেজিং কিংবা পরিবহনের বিভিন্ন ধাপেও প্লাস্টিক কণা তেলের সঙ্গে মিশে যেতে পারে।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..