সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
একই ফিলিং স্টেশনে বারবার তেল নিতে গিয়ে ৩ আরোহী জরিমানা ৪৮ হাজার লিটার ফার্নেস অয়েল জব্দ, উদ্ধার ১২ একর সরকারি জমি ১৬ বছরেও প্লট বুঝে পাননি গ্রাহকরা, সোনাইমুড়ীতে ক্ষোভ সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ আর নেই লোহাগড়ায় জেলেদের অনুদানের ৬০ গরুর হদিস নেই, তথ্য দিতে অস্বীকৃতি মৎস্য কর্মকর্তার লোহাগড়ায় চাকরির প্রলোভনে গৃহবধূ ধর্ষণ, গ্রাম পুলিশ গ্রেফতার শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য গণভোটের রায় অমান্য ও বাস্তবায়নে গড়িমসির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পদ নয়: প্রধানমন্ত্রী উৎসবমুখর পরিবেশে ভোলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন

১৬ বছরেও প্লট বুঝে পাননি গ্রাহকরা, সোনাইমুড়ীতে ক্ষোভ

রবিউল হাসান, সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী):
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী রেলওয়ে মার্কেটের ১৯৫টি প্লট বরাদ্দ নিয়ে দীর্ঘসূত্রতায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। প্রায় ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও প্লট বুঝে না পাওয়ায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ রেলওয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তার কার্যালয় ২০১০ সালের ২০ জুলাই সোনাইমুড়ী রেলওয়ে স্টেশনের পূর্ব পাশে মার্কেটের ১৯৫টি প্লট বরাদ্দের জন্য দরপত্র আহ্বান করে। নিয়ম অনুযায়ী টেন্ডারে অংশ নিয়ে প্রতিজন গ্রাহক ৪০০ থেকে ৫০০ বর্গফুট প্লট বরাদ্দ পান এবং এর বিপরীতে এককালীন অর্থ ব্যাংকে জমা দেন।
অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ প্লটগুলো বুঝিয়ে দিতে দেরি করায় একটি অবৈধ দখলদার চক্র সুযোগ নেয়। আবুল কালাম গং এ বিষয়ে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ সিনিয়র জজ আদালত ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে ১৫১ ধারায় অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা করে (মামলা নং-২৯৫/২০১৩)। তবে ২০১৪ সালের ৪ জুলাই আদালত রায়ে স্পষ্টভাবে জানায়, প্লট মালিকদের বুঝিয়ে দিতে আইনি কোনো বাধা নেই।
এরপরও দীর্ঘদিন ধরে প্লট হস্তান্তরে গড়িমসি করছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এতে একদিকে গ্রাহকরা যেমন হয়রানির শিকার হচ্ছেন, অন্যদিকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।
২৬৮ নম্বর প্লটের মালিক ফিরোজ মিয়া, ২৬৯ নম্বর প্লটের আখতারুজ্জামান এবং ২৬৫ নম্বর প্লটের মাইনুদ্দিন অভিযোগ করে জানান, তারা আইন মেনে প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন। কিন্তু ১৬ বছরেও প্লট বুঝে না পাওয়ায় তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এদিকে অবৈধ দখলদাররা ওই জায়গায় দোকান নির্মাণ করে স্থায়ী স্থাপনা গড়ে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম রেলওয়ে বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা দীপংকর তঞ্চঙ্গ্যার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..