রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান ১১ দলের ঘোষিত ৫ সেপ্টেম্বরের চট্টগ্রামে লংমার্চ সফল করতে  উত্তর জেলা জামায়াতের  দায়িত্বশীল সমাবেশ। নেপালে আকস্মিক বন্যা–ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১৫৭, এখনো নিখোঁজ ৪০৩ জন গোয়ালন্দে যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন মান্নান হত্যা মামলায় সন্দেহভাজনদের নাম অন্তর্ভুক্ত না করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।  গোয়ালন্দে ঘরের ভেতর যুবককে গলা কে’টে হ’ত্যা ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা সদর নিয়ে আন্দোলন,  পাশে দাড়িয়েছেন সাবেক বিচারপতি ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী। জকসুর উদ্যোগে জবি মেডিকেল সেন্টারে যুক্ত হচ্ছে ১৩ আধুনিক যন্ত্র রাশিয়ার দুই আন্তর্জাতিক আয়োজনে পুতিনের আমন্ত্রণ পেলেন সাবেক জবি শিক্ষার্থী শিফা হালদা রক্ষায় আপস নয়, বালি-মাটি উত্তোলন বন্ধের হুঁশিয়ারি: এমপি সরোয়ার আলমগীর

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সব মামলা বাতিল করল সরকার

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫

২০১৮ সালের বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে হওয়া সব মামলা বাতিল করেছে বর্তমান সরকার। নতুন করে অনুমোদিত সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর সংশোধনীতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ওই আইনে অভিযুক্ত এবং দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সকলেই মুক্তি পাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেন, `সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর সংশোধনীর আওতায় ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে হওয়া সব মামলা, তদন্ত ও সাজা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে অভিযুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা মুক্তি পেয়েছেন।’

নতুন সংশোধনীতে বলা হয়েছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ধারা ২১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩১ এবং এসব ধারায় সহায়তার অভিযোগে চলমান সব মামলা ও তদন্ত কার্যক্রম বাতিল বলে গণ্য হবে। এসব ধারার অধীন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের দেওয়া সব সাজা ও জরিমানাও বাতিল হিসেবে বিবেচিত হবে।

এছাড়া একই বৈঠকে ব্যক্তিগত ডাটা সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং জাতীয় উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-ও অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, নতুন অধ্যাদেশগুলোর মাধ্যমে নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য ও উপাত্তের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। এখন থেকে ডাটা ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি থাকবে।

২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে শুরু থেকেই সাংবাদিক, লেখক, অধিকারকর্মী ও আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনা ছিল। ওই আইনে বহু ব্যক্তি গ্রেপ্তার ও হয়রানির শিকার হয়েছেন—এই সিদ্ধান্তকে তাদের অনেকেই স্বাগত জানাতে পারেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..