শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
ভোলা সদর উপজেলা প্রতিনিধি:ভোলায় প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র, স্কুল ব্যাগ ও ল্যাপটপ বিতরণ রাঙ্গাবালীতে ধানের শীষের পথসভায় উন্নয়ন ও হাসপাতাল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি বিএনপি প্রার্থীর চট্টগ্রাম ২ ফটিকছড়ি আসনে জামায়াতের এমপি প্রার্থীর গন মিছিল অনুষ্ঠিত।  বাঞ্ছারামপুরে বর্ণিল আয়োজনে পিঠা উৎসব অনলাইনে নয়, সাংবাদিক কার্ড ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে ইসি নেত্রকোনা–৪ আসনে নায়েকপুর ও তিয়শ্রীতে বিএনপির প্রচারণা তাহমিনা জামান শ্রাবণীর কলেজে যাওয়ার কথা বলে আত্মগোপন, মুক্তিপণ নাটক সাজিয়ে ধরা পড়ল তরুণ একটি মহল আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে-তারেক সাংবাদিকরা পর্যবেক্ষণ করলে নির্বাচনে স্বচ্ছতা থাকবে: সিইসি… নির্বাচনে তিন দিন মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ

মাগুরায় শিশু ধর্ষণ: গভীর রাতে শুনানি, ৪ আসামি রিমান্ডে

মাগুরা প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫

মাগুরায় শিশু ধর্ষণ গভীর রাতে শুনানি, ৪ আসামি রিমান্ডে

মাগুরায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে আট বছরের শিশু ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা থাকায় আসামিদের রোববার দিনে আদালতে হাজির করতে পারেনি পুলিশ। পরিস্থিতি বিবেচনায় গভীর রাতে রিমান্ড আবেদনের শুনানি করেছে আদালত।
এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাগুরা সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. আলাউদ্দিন রোববার রাত ১২টার পর মাগুরার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন।
আলোচিত এই মামলার আসামিরা হলেন-শিশুটির ভগ্নিপতি সজিব হোসেন (১৮), বোনের শ্বশুর হিটু মিয়া (৪২), অপ্রাপ্তবয়ষ্ক এক কিশোর (১৭) এবং তাদের মা জাবেদা বেগম (৪০)।
মাগুরার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আবদুল মতিন শুনানি শেষে বোনের শ্বশুরের সাত দিন এবং স্বামী, শাশুড়ি ও আরেক আসামির পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে রোববার সকাল থেকে প্রায় দিনভর মাগুরা শহরে শিশু ধর্ষণে জড়িত ব্যক্তিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বেলা ১২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মূল ফটক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। এরপর সেখান থেকে সরে গিয়ে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভায়না মোড় মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা। এমন পরিস্থিতিতে আসামিদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা থাকায় তাদের আদালতে হাজির করতে পারেনি পুলিশ।

পরে রাত ১২টার পর শুরু হয় রিমান্ড শুনানি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। এ সময় আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী শুনানিতে অংশ নেননি। আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিলে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা। রিমান্ড না দেওয়ারও দাবি করেন তাঁরা। মামলার তদন্ত কর্মকর্তার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভুক্তভোগী শিশু অচেতন থাকায় জবানবন্দি নেওয়া যায়নি। ফলে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি। শুনানি শেষে মামলার মূল অভিযুক্তকে সাত দিন এবং অন্য তিন আসামিকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।
ওসি তদন্ত আলাউদ্দিন বলেন, “রিমান্ডের আবেদনসহ অন্যান্য কাগজপত্র তৈরি থাকলেও গতকাল দিনে আসামিদের আদালতে হাজির করার ঝুঁকি নেওয়া হয়নি। দিনভর আন্দোলনকারীরা আদালতের ফটক ঘিরে রেখেছিলেন। আসামিদের তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি করছিলেন। এ কারণে রাতে শুনানি করেছেন আদালত।”

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..