বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে, কিন্তু স্বৈরাচারের ভূত এখনো রয়ে গেছে. বকশিগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত টাঙ্গাইলে “কৃষক কার্ড” বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একই ফিলিং স্টেশনে বারবার তেল নিতে গিয়ে ৩ আরোহী জরিমানা ৪৮ হাজার লিটার ফার্নেস অয়েল জব্দ, উদ্ধার ১২ একর সরকারি জমি ১৬ বছরেও প্লট বুঝে পাননি গ্রাহকরা, সোনাইমুড়ীতে ক্ষোভ সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ আর নেই লোহাগড়ায় জেলেদের অনুদানের ৬০ গরুর হদিস নেই, তথ্য দিতে অস্বীকৃতি মৎস্য কর্মকর্তার লোহাগড়ায় চাকরির প্রলোভনে গৃহবধূ ধর্ষণ, গ্রাম পুলিশ গ্রেফতার শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য

ইউরোপের বাজারে নাটোরের পান, খুশি চাষীরা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০২১

নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে সাড়ে ছয় বছর পর ইউরোপের বাজারে নতুন করে পান রপ্তানি শুরু করেছে বাংলাদেশ। এ খবরে খুশি নাটোর জেলার পান চাষীরা।

নাটোরের সদর, বড়াইগ্রাম, গুরুদাশপুরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক পান চাষ হয়। একবার বরজ তৈরি করলে, কয়েক বছর পানের ফলন হয়। নাটোরের আবহাওয়া পান চাষের উপযোগী হওয়ায় দীর্ঘদিন থেকে এর আবাদ করছেন চাষীরা। ফলে জেলায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে পান চাষ। সেখানে পানের ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে, মোকাম ও আড়ৎ।

সদর উপজেলার গোকুল নগর গ্রামের পানচাষী হজরত আলী বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, নাটোরের পান খেতে মিষ্টি, সুস্বাদু এবং গুনগত মান ভালো। চলতি বছর পানের ফলনও ভালো হয়েছে।

একই এলাকার পানচাষী রুবেল আলী বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন থেকে পান চাষের সাথে যুক্ত। এ বছর আমার চার বিঘা জমিতে পান চাষ করেছি। বিদেশে পান নিলে খুশি হব।

আরেক চাষী হাফিজুর রহমান বলেন, এর আগেও ইউরোপে পান যেত আমাদের মোকাম থেকে। নতুন করে আবার পান রপ্তানি হলে আমরা চাষীরা লাভবান হব।

মোকরামপুর পান আড়ৎ এর ব্যবসায়ী কমল মন্ডল বলেন, ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। নতুন করে ইউরোপের বাজারে পান প্রবেশের খবরে আমরা খুশি। ইউরোপে পান প্রবেশ করলে পানটা খুব কদরে বিক্রি হবে। এতে ব্যবসায়ী ও চাষী উভয়ে লাববান হব। আমরা জেলার পান চাষী ও ব্যবসায়ীরা খুশি।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছর নাটোরে বরজ আছে ৪২৯ হেক্টর জমিতে।

চলতি মৌসুমে জেলায় ৬ হাজার ৬৩২ মেট্রিকটন পান উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার বাজারমূল্য প্রায় ২০০ কোটি টাকা।

নাটোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত কুমার সরকার বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, বিদেশে রপ্তানিযোগ্য পান সম্প্রসারণ এবং গুনগত মান ঠিক রেখে উৎপাদনে কৃষকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখাসহ সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) র‍্যাপিড অ্যালার্ট সিস্টেম ফর ফুড অ্যান্ড ফিড (আরএএসএফএফ) ২০১৪ সালের ২৯ জুলাই বাংলাদেশি পান আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। বাংলাদেশি পানে ক্ষতিকর স্যালমোনেলা ব্যাকটেরিয়ার অস্তিত্ব পাওয়ায় এ নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। প্রথমে এক বছর নিষিদ্ধ করলেও পরে তা আরও বাড়ানো হয়।

দীর্ঘ সাড়ে ছয় বছর পর সম্প্রতি আবারও বাংলাদেশের পান আবার বৈধভাবে ইউরোপে যাচ্ছে।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..