ধানের চেয়েও মুগডাল চাঁষ লাভজনক তাই দিনদিন কৃষকরা মুগডাল চাষে ঝুকছে। এবছর চলতি মৌসুমে মুগডালের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা থাকলেও পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে অতিবৃষ্টি ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মাঠের পর মাঠ মুগ ডাল ক্ষেত তলিয়ে গেছে। অনেক কৃষক পানির নিচে থাকা আধা-পাকা ডাল দ্রুত কেটে তোলার চেষ্টা করছেন যার ফলে কৃষকরা চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন।
রাঙ্গাবালী উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে চলতি মৌসুমে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ১৪ হাজর ২২০ হেক্টর জমিতে মুগডাল আবাদ হয়েছে। যা গতবছরের তুলনায় এ বছর ৮৯৪ আবাদ কম হয়েছে। ১ হাজার ৮০ হেক্টর জমিতে বাদাম আবাদ হয়েছে। এবং মরিচ ১ হাজার ২২০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে । অফিস সূত্রে আরও জানা গেছে এখন পর্যন্ত রবিশস্য ফসল ৫০% কৃষকরা ঘরে তুলতে পারছেন বাকি ফসল মাঠে রয়ে গেছে।
সরে জমিন ঘুরে দেখা গেছে, হটাৎ বৃষ্টিতে রবিশস্য খেতগুলোতে হাটু সমান পানি জমিয়ে গেছে।তলিয়ে যাওয়ায় অনেক জমির ফসল পচে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তারাহুরো করে পানির নিচে থাকা ডাল,বাদাম, মরিচ তোলায় ব্যস্ত কৃষক কৃষাণীরা।
কৃষকরা জানিয়েছেন, ফসল কাটার আগ মুহূর্তে টানা বর্ষণে ডাল, বাদাম, মরিচ ক্ষেতগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে বিশেষ করে চরমোল্লার খলের বিলের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকার কারণেই হাটু সমান পানির নিচে রবিশস্য। স্থানীয়দের দাবী প্রতিবছর বর্ষা আসলেই ভোগান্তিতে পড়তে হয় আমাদের। আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যাতে করে একটি স্থায়ী স্লুইস বা বক্স কালভার্ড করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হোক এটা আমাদের কৃষকদের প্রাণের দাবি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন,বৃষ্টি হলেও দু-একটা প্লট বাদে কোথাও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি৷ ফলে ক্ষতির আশংকা নাই৷