শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
বিএনপির বিরুদ্ধে ‘সবকিছু শেষের অপকৌশল’ অভিযোগ শফিকুর রহমানের আনোয়ারায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৬ষ্ঠ উপজেলা স্কাউট সমাবেশ শুরু রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড ভোলায় স্থানীয় কৃষকের পণ্য নিয়ে কৃষক বাজারের আয়োজন বাঞ্ছারামপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে অনিয়মের অভিযোগ, টাকা নেওয়ার ঘটনায় বিতর্ক গোয়ালন্দ ঘাট থানায় নতুন ওসি শফিকুল ইসলাম গোয়ালন্দে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের সমাপনী, পুরস্কার বিতরণ নরসিংদীতে মার্চ ২০২৬ মাসের শ্রেষ্ঠ ডিআইও নির্বাচিত এসআই মোঃ ইমাম হোসেন সোনাইমুড়ীতে পেশাজীবীদের তেলসংগ্রহে ভোগান্তি, লাইনে টিনেজারদের ভিড় বেশি ঢামেকে ঢাবি শিক্ষার্থী-চিকিৎসক সংঘর্ষ, জরুরি বিভাগ বন্ধ

বিএনপির বিরুদ্ধে ‘সবকিছু শেষের অপকৌশল’ অভিযোগ শফিকুর রহমানের

বিশেষ প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

সরকারি দল বিএনপি ‘সবকিছু শেষ করে দেওয়ার অপকৌশল’ নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শেষে সংসদের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা সরাসরি বলেছি, আপনারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছেন। আপনাদের ওপর আমাদের কোনো আস্থা নেই। সেই কারণেই আমরা ওয়াকআউট করেছি।”
তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপনের পর সেগুলো যাচাইয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। তবে তার অভিযোগ, কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রণয়নে বিরোধী দলের সদস্যদের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে।
তার দাবি, সরকারি দলের সদস্যরা একতরফাভাবে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছেন, যা সংসদীয় চর্চার পরিপন্থী। পরে আপত্তির মুখে কিছু বিষয় যুক্ত করা হলেও তা গ্রহণযোগ্য হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, ১৩৩টি অধ্যাদেশের সবগুলোই সংসদে আলোচনার জন্য আনা উচিত ছিল। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যাদেশ ‘ল্যাপস’ তালিকায় ফেলে দেওয়া হয়েছে, যা জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী।
বিশেষ করে দুদক বিল, পুলিশ সংস্কার কমিশন বিল, গুম কমিশন বিল ও পিএসসি বিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সংসদে না আনার সমালোচনা করেন তিনি।
‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল, ২০২৬’ প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বসম্মতি থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ সংশোধনী এনে বিলটিকে ‘দলীয়করণ’ করা হয়েছে এবং বিরোধী দলকে তা জানার সুযোগ দেওয়া হয়নি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদে প্রয়োজনীয় নথিপত্র যথাসময়ে সরবরাহ করা হয়নি। অধিবেশনের মাত্র এক ঘণ্টা আগে বিপুল কাগজপত্র দেওয়া হয়, যা পর্যালোচনার জন্য পর্যাপ্ত সময় নয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকার সংসদে আস্থাহীনতার পরিবেশ সৃষ্টি করেছে এবং নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকেও সরে এসেছে।
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নিয়েও সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার তাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী অনির্বাচিত প্রতিনিধিত্ব বন্ধ করেনি, যা ‘স্ববিরোধী আচরণ’।
নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, নির্বাচন প্রক্রিয়া আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল এবং গণভোটের ফলাফল উপেক্ষা করা হয়েছে।
দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে এবং এ লড়াই থেকে বিরোধী দল সরে আসবে না।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..