রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান ১১ দলের ঘোষিত ৫ সেপ্টেম্বরের চট্টগ্রামে লংমার্চ সফল করতে  উত্তর জেলা জামায়াতের  দায়িত্বশীল সমাবেশ। নেপালে আকস্মিক বন্যা–ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১৫৭, এখনো নিখোঁজ ৪০৩ জন গোয়ালন্দে যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন মান্নান হত্যা মামলায় সন্দেহভাজনদের নাম অন্তর্ভুক্ত না করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।  গোয়ালন্দে ঘরের ভেতর যুবককে গলা কে’টে হ’ত্যা ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা সদর নিয়ে আন্দোলন,  পাশে দাড়িয়েছেন সাবেক বিচারপতি ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী। জকসুর উদ্যোগে জবি মেডিকেল সেন্টারে যুক্ত হচ্ছে ১৩ আধুনিক যন্ত্র রাশিয়ার দুই আন্তর্জাতিক আয়োজনে পুতিনের আমন্ত্রণ পেলেন সাবেক জবি শিক্ষার্থী শিফা হালদা রক্ষায় আপস নয়, বালি-মাটি উত্তোলন বন্ধের হুঁশিয়ারি: এমপি সরোয়ার আলমগীর

জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: আটক ১৫, অস্ত্র উদ্ধার

এম. ইউছুফ, চট্টগ্রাম:
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে। অভিযানে এ পর্যন্ত ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে এবং অস্ত্র উদ্ধারের দাবি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সোমবার (৯ মার্চ) ফজরের নামাজের পর সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরের বিভিন্ন প্রবেশমুখ দিয়ে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় প্রবেশ করেন। অভিযানে প্রায় ৫৫০ জন সেনাবাহিনী, ১৮০০ পুলিশ সদস্য, ৩৩০ এপিবিএন, ৪০০ র‍্যাব, ১২০ বিজিবি সদস্য অংশ নেন। এছাড়া ১৫টি এপিসি, তিনটি ডগ স্কোয়াড এবং তিনটি হেলিকপ্টার রিজার্ভ হিসেবে রাখা হয়েছে।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশ জানান, পুলিশের সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব এবং জেলা প্রশাসনের সদস্যরা সমন্বিতভাবে এ অভিযান পরিচালনা করছেন। তিনি বলেন, “এবার আমরা সফল হয়েছি বলে মনে করছি। এই এলাকার ওপর আমাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, অভিযানে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তবে নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে ঠিক কতগুলো অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ বলেন, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় স্থায়ীভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও র‍্যাবের দুটি ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। ভবিষ্যতেও যাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারে, সে বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল এলাকায় রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা, এবং সেই লক্ষ্য অর্জনে তারা সফল হয়েছেন। বর্তমানে এলাকায় তল্লাশি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..