রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান ১১ দলের ঘোষিত ৫ সেপ্টেম্বরের চট্টগ্রামে লংমার্চ সফল করতে  উত্তর জেলা জামায়াতের  দায়িত্বশীল সমাবেশ। নেপালে আকস্মিক বন্যা–ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১৫৭, এখনো নিখোঁজ ৪০৩ জন গোয়ালন্দে যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন মান্নান হত্যা মামলায় সন্দেহভাজনদের নাম অন্তর্ভুক্ত না করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।  গোয়ালন্দে ঘরের ভেতর যুবককে গলা কে’টে হ’ত্যা ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা সদর নিয়ে আন্দোলন,  পাশে দাড়িয়েছেন সাবেক বিচারপতি ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী। জকসুর উদ্যোগে জবি মেডিকেল সেন্টারে যুক্ত হচ্ছে ১৩ আধুনিক যন্ত্র রাশিয়ার দুই আন্তর্জাতিক আয়োজনে পুতিনের আমন্ত্রণ পেলেন সাবেক জবি শিক্ষার্থী শিফা হালদা রক্ষায় আপস নয়, বালি-মাটি উত্তোলন বন্ধের হুঁশিয়ারি: এমপি সরোয়ার আলমগীর

সোনাইমুড়ীতে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ,

রবিউল হাসান, (সোনাইমুড়ী) নোয়াখালী:
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়েছে—এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সোনাইমুড়ী উপজেলার নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলা যুবদলের ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক ও নদনা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব আওলাদ হোসেন হেলাল। একই দিন সকালে তিনি প্রতিকার চেয়ে সোনাইমুড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে উপজেলার নদনা ইউনিয়নের পাঁচবাড়িয়া গ্রামে “যুবদল নেতার দখল থেকে একটি বসতঘর উদ্ধার করেছে পুলিশ”—এমন শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়।
হেলাল জানান, উপজেলার পাঁচবাড়িয়া গ্রামের অলি উল্লাহ জীবিত থাকা অবস্থায় তার ভাইয়ের ছেলে আওলাদ হোসেন হেলালকে বাড়িঘর ও সম্পত্তি দেখভালের দায়িত্ব দেন। অলি উল্লাহর মৃত্যুর পর প্রায় ১৫ বছর ধরে তিনি ওই ঘরে বসবাস করে আসছেন। এদিকে অলি উল্লাহর ছেলে শামসুদ্দিন ফারুক পরিবারসহ ঢাকায় বসবাস করতেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ফারুক হঠাৎ থানা পুলিশের সহায়তায় বাড়িতে এসে পিতার রেখে যাওয়া ঘরটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। তবে তার বোন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বকুল ও মমতাজসহ অন্যান্য অংশীদার এতে রাজি হননি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, শামসুদ্দিন ফারুক এর আগে ঢাকার একটি বাড়ি ও পাঁচবাড়িয়া গ্রামের বেশ কিছু সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি বসতভিটাও বিক্রি করার চেষ্টা করছেন।
এ সময় সোনাইমুড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুল ইসলাম হেলালকে ঘর থেকে বের করে দেন এবং ঘরের চাবি নিয়ে থানায় চলে যান। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিন্নভাবে প্রচার করা হয় বলে অভিযোগ করেন হেলাল।
আওলাদ হোসেন হেলাল বলেন, “আমরা অল্প কিছুদিন ঘরটিতে বসবাস করেছি। আমাদের বললেই আমরা ঘরটি ছেড়ে দিতাম। ঘরটির প্রকৃত মালিক সে নয়। আমি কেবল জ্যাঠার সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করেছি।”
এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, “ঘরটিতে হেলালকে থাকতে দেওয়া হয়েছিল। তিনি ঘরটির জোরপূর্বক দখল নেননি।”

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..