সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
শফিকুর রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচার ফেরার পথ খুললে গাদ্দারি হবে: প্রধানমন্ত্রী জুলাইকে ধারণ না করলে জাতীয় প্রত্যাশা পূরণ হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইশরাক পিস্তল উঁচিয়ে যে দৃশ্যের অবতারণা করেছেন, তা ত্রাসের রাজত্ব’ আগামী বছর থেকে বিদ্যুৎ বিক্রি করার জায়গা পাওয়া যাবে না: চিফ হুইপ মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ, ইশরাকের দাবি গুজব মোল্লাহাটে ৮৫ বছরের বৃদ্ধকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ মক্কায় ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই সরকার বিরোধী দলের সহযোগিতা পাওয়ার যোগ্য নয়: জামায়াত আমির নরসিংদীতে রিকের আইএসআইজিওপি প্রকল্পের সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত

শফিকুর রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বিশেষ প্রতিনিধি :
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার মি. ইমরান হায়দার। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং শিক্ষা-গবেষণাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় পাকিস্তান হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার মুহাম্মাদ ওয়াসিফ, পলিটিক্যাল কাউন্সিলর মি. কামরান দাংগাল এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্ককে ভবিষ্যৎমুখী দৃষ্টিভঙ্গিতে আরও এগিয়ে নিতে তারা আগ্রহী। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক ইতিবাচক ধারায় এগোচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ বেড়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের একাধিক সফর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

হাইকমিশনার এ সময় বিরোধীদলীয় নেতাকে নোলেজ করিডোর প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের শিক্ষাবিদদের একটি প্রতিনিধিদলের সাম্প্রতিক পাকিস্তান সফরের বিষয়েও আলোচনা হয়। সফরকালে প্রতিনিধিদলটি দেশটির উন্নত শিক্ষা কাঠামো ও শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ ছাড়া, নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রাখা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উভয় পক্ষ।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..