নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনটির সোনাইমুড়ী অংশে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৬৯টি। যেগুলোতে আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি দুই লাখ ১৮ হাজার ৫১১ ভোটারের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য সিসি ক্যামেরাসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন।
ঝুঁকিপূর্ণ, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ, অধিক গুরুত্বপূর্ণ এবং সাধারণ মোট পাঁচ ভাগ করা হয়েছে কেন্দ্রগুলোকে। যার মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখানো হয়েছে ১৩টি, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ১১টি, গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে একটি, অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে তিনটি ও সাধারণ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে ৪১টি কেন্দ্রকে।
প্রশাসনের তৈরি তালিকায় সবচেয়ে দূরত্বে রয়েছে দেওটি ইউনিয়নের পতিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ঘাসেরখিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। কুমিল্লা জেলার সীমানা ঘেঁষে রয়েছে চাষিরহাট ইউনিয়নের পোরকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাহারপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কাবিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র। যেগুলো সোনাইমুড়ী থানার ৫ থেকে ৮ কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে। এর মধ্যে কাবিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঝুঁকিপূর্ণ ও পোরকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, পূর্ববর্তী বিভিন্ন নির্বাচনে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে ৪টি কেন্দ্রে। তার মধ্যে রয়েছে সোনাইমুড়ী পৌরসভার বাটরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নদনা ইউনিয়নের কালুয়াই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বজরা ইউনিয়নের ছনগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বারাহিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা মো. ছাইফ উল্যাহ গত ৩০শে জানুয়ারি এক মতবিনিময় সভায় চাটখিল-সোনাইমুড়ীতে কর্মরত সাংবাদিকদের সামনে এবং সোনাইমুড়ী রেলওয়ে চত্বরে এক সভায় তাদের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রেগুলোর ব্যাপারে প্রশাসনকে তালিকা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
প্রশাসন জানিয়েছে, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। সোনামুড়ী থানার ওসি মো. কবির হোসেন বলেন- ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ কেন্দ্রগুলোতে ৩ জন করে পুলিশ সদস্য দেয়া হবে এবং সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি, আনসারসহ বিভিন্ন প্রসাশনের মাধ্যমে ভোটারদের পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।