বাংলা নববর্ষের উচ্ছ্বাস, রঙ ও ঐতিহ্যের বর্ণিল আবহে গত ১৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি সোশ্যাল সার্ভিসেস ক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো “বৈশাখী মেলা ১৪৩৩”।
প্রাণবন্ত আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে মেলাটি রূপ নেয় এক জমকালো মিলনমেলায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বৃহৎ, জাঁকজমকপূর্ণ ও সফল সাংস্কৃতিক আয়োজন হিসেবে এটি সবার মাঝে বিশেষভাবে সমাদৃত হয়।
মেলার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এম এ কাশেম—সাবেক চেয়ারম্যান, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এবং প্রতিষ্ঠাতা আজীবন সদস্য, এনএসইউ ট্রাস্ট। তিনি সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর সাবেক সভাপতি, এফবিসিসিআই-এর সাবেক চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি)-এর চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন খেলার মাঠে আয়োজিত এ মেলায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, ফ্যাকাল্টি সদস্য ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর। রঙিন ও ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জায় সজ্জিত পরিবেশ বৈশাখের চিরায়ত আবহকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে।
মেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্টাফ সদস্যরা নিজস্ব স্টল স্থাপন করেন। এসব স্টলে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী খাবার, হস্তশিল্প এবং লোকজ সংস্কৃতির নানা উপকরণ প্রদর্শিত হয়। এর মাধ্যমে বাঙালির সংস্কৃতির বৈচিত্র্য, সৌন্দর্য ও ঐতিহ্যের সমৃদ্ধ ধারাবাহিকতা ফুটে ওঠে।
ক্লাবের প্রেসিডেন্ট খালিদ বিন মোর্শেদ রামিম বলেন,
“বৈশাখী মেলা এমন একটি আয়োজন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল স্তরের মানুষকে একত্রিত করে এক অনন্য সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে। এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা শুধু উৎসব উদযাপন করিনি, বরং একটি প্রাণবন্ত ও আন্তরিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে পেরেছি, যেখানে সবার অংশগ্রহণই ছিল আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। আমরা আশা করি, এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে এবং আরও বৃহৎ পরিসরে বিকশিত হবে।”
এই বৈশাখী মেলার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল স্তরের মানুষের মধ্যে আন্তরিক সংযোগ ও সম্প্রীতির এক সুন্দর আবহ সৃষ্টি হয়েছে, যা পুরো আয়োজনকে করে তুলেছে আরও প্রাণবন্ত ও অর্থবহ।