মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মানিকগঞ্জের কালীগঙ্গা নদীতে সামিয়া ইসলাম স্কুল ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার মুরাদনগরে নব-নির্বাচিত দুই সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা নড়াইলে ইভটিজিং এর প্রতিবাদ করায় কিশোরকে কুপিয়ে হত্যা, দুই বন্ধু আহত সাতক্ষীরা কিন্ডার গার্টেনে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত মর্গের মেঝেতে পড়ে থাকা মৃত শিশুটির পরিচয় মিলেছে। ব্রেকিং নিউজ-৪০ মরদেহ হস্তান্তর, ডিএনএ টেস্ট করা হবে ৩ জনের পিপিএম (রাষ্ট্রপতি) পদক পেলেন খুলনার সন্তান পুলিশ পরিদর্শক মনিরুজ্জামান। লোহাগড়ায় সৎ মায়ের হাতে ৩ বছরের শিশু খুন রাষ্ট্রপতি পদক পেলেন সিলেট জেলার পুলিশ সুপার’’ রামপালে স্থানীয় সরকার দিবস উদযাপন 

কক্সবাজারের জেলা জজকে ক্ষমা, ৯ জনের জামিন বাতিলে রুল

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৩

চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন নামঞ্জুর হওয়া আসামিদের আইনভঙ্গ করে আদেশে মিথ্যা তথ্য লিখে একইদিনে জামিন দেওয়ার ঘটনায় নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করায় কক্সবাজারের জেলা জজ মোহাম্মদ ইসমাঈলকে অব্যাহতি দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে আইন লঙ্ঘন করো জামিন দেওয়া ৯ আসামির জামিন কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে জেলা জজের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা, অ্যাডভোকেট আব্দুন নূর দুলাল। অপরপক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন, অ্যাডভোকেট এস এম আমজাদুল হক, অ্যাডভোকেট সাকিল আহমাদ।
এর আগে পর পর দুদিন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন নামঞ্জুর হওয়া আসামিদের আইনভঙ্গ করে আদেশে মিথ্যা তথ্য লিখে একইদিনে জামিন দেওয়ার ঘটনায় কক্সবাজার জেলা জজকে কঠোরভাবে ভর্ৎসনা করেন হাইকোর্ট।

২০ জুলাই শুনানিতে হাইকোর্ট কক্সবাজারের জেলা জজ মোহাম্মদ ইসমাঈলকে উদ্দেশ্য করে হাইকোর্ট বলেছেন আপনি একজন সিনিয়র জেলা জজ। দীর্ঘদিন বিচারকাজ করেছেন। আপনি আদালতের আদেশ টেম্পারিং করেছেন। এতে আপনার বুক কাপলো না? টেম্পারিং করে আপনি ভুল করেননি। জেনে শুনে আপনি ক্রাইম করেছেন।

বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।

শুনানিতে জেলা জজের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা বলেন, আমরা কনটেস্ট করতে চাই না। আমরা আদালতের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাচ্ছি। আমরা খুবই অনুতপ্ত। এ পর্যায়ে হাইকোর্ট জেলা জজকে ডায়াসের সামনে ডেকে আদেশ টেম্পারিংয়ের বিষয়ে জানতে চান। তখন জেলা জজ বিভিন্ন ভাবে ব্যাখ্যা দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে বলেন, ভুলে এটা হয়েছে। তখন আদালত বলেন, আপনি ভুল করেননি। আপনি জেনে বুঝে ক্রাইম করেছেন।

এ সময় তার আইনজীবীরা আবারও ক্ষমা চাইলে হাইকোর্ট বলেন, আপনারা ক্ষমা চাচ্ছেন। অনুতপ্ত হচ্ছেন। কিন্তু জেলা জজের মধ্যে তো কোনো অনুশোচনা নেই। তিনি অনুতপ্তও নন। মন থেকে অনুশোচনা আসতে হয়।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..