রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন , ই-পেপার
শিরোনামঃ
পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান ১১ দলের ঘোষিত ৫ সেপ্টেম্বরের চট্টগ্রামে লংমার্চ সফল করতে  উত্তর জেলা জামায়াতের  দায়িত্বশীল সমাবেশ। নেপালে আকস্মিক বন্যা–ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১৫৭, এখনো নিখোঁজ ৪০৩ জন গোয়ালন্দে যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন মান্নান হত্যা মামলায় সন্দেহভাজনদের নাম অন্তর্ভুক্ত না করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।  গোয়ালন্দে ঘরের ভেতর যুবককে গলা কে’টে হ’ত্যা ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা সদর নিয়ে আন্দোলন,  পাশে দাড়িয়েছেন সাবেক বিচারপতি ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী। জকসুর উদ্যোগে জবি মেডিকেল সেন্টারে যুক্ত হচ্ছে ১৩ আধুনিক যন্ত্র রাশিয়ার দুই আন্তর্জাতিক আয়োজনে পুতিনের আমন্ত্রণ পেলেন সাবেক জবি শিক্ষার্থী শিফা হালদা রক্ষায় আপস নয়, বালি-মাটি উত্তোলন বন্ধের হুঁশিয়ারি: এমপি সরোয়ার আলমগীর

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জুস কারখানায় আগুনে ৪৯ জনের মৃত্যু,ফায়ার সার্ভিস।

সংগ্রাম প্রতিদিন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৯ জুলাই, ২০২১

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জুস কারখানায় আগুনে অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ভুলতায় হাশেম অ্যান্ড বেভারেজের সেজান জুসের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

শুক্রবার (৯ জুলাই), বেলা ১টার দিকে কারখানা ভবন থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে এ তথ্য জানায় ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের রেসকিউ টিমের এক সদস্যের মাধ্যমে জানা যায়, ভবনটির ৪ তলাতেই ৪৯ জনের মৃতদেহ পাওয়া যায়।

৫ ও ৬ তলায় এখনো আগুন জ্বলছে। ভবনটির চারপাশ বন্ধ। শুধু সিঁড়ি দিয়ে ওঠার পথ রয়েছে। যেখানে প্রচণ্ড ধোঁয়ার কারণে বাইরে ল্যাডার দিয়েই আগুন নেভানোর চেষ্টা চলছে। আর কারখানায় প্রচুর দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণ কঠিন হচ্ছে। এর আগে, শুক্রবার (৯ জুলাই) সকালে সেজান জুসের কারখানাটিতে আবারো আগুন লাগে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের ১৭টি ইউনিট। তার আগে, শুক্রবার সকালে, পুলিশ ও নিখোঁজ শ্রমিকদের বিক্ষুব্ধ স্বজনদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সকাল ১০টার দিকে কয়েকজন শ্রমিকের খোঁজ না পেয়ে বিক্ষোভ শুরু করে তাদের স্বজনেরা। পুলিশের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা সংঘর্ষ চলে।

এসময় ব্যাপক ভাংচুর চালায় বিক্ষুব্ধরা। বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে আগুন লাগলে ১৩ ঘণ্টার চেষ্টায় ভোর ৪টার দিকে তা নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিট। আগুন লাগার সময় কারখানাটিতে অনেক শ্রমিক ও কর্মচারী কাজ করছিলেন।

তবে আগুনের সূত্রপাত নিয়ে কেউ কিছু বলতে পারেনি। কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও কারখানার একজন ইঞ্জিনিয়ার জানান, হঠাৎ করে তারা ধোঁয়া দেখতে পান। নিখোঁজ শ্রমিকদের স্বজনরা দাবি করেন, আগুন লাগার পর কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের বের হতে দেয়নি।

দয়া করে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..